চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোনো দরকার নেই: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোনো দরকার নেই। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল রয়েছে। এবং চাল নিয়ে কারো উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। চালের বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের সেচ ভবনে সরাসরি কৃষকের বাজারজাতকৃত সবজির হাট ‘কৃষকের বাজার’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মোটা চালের চাহিদা নেই উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, মোটা চাল বিক্রি করতে পারিনা আমরা। ওএমএসের গাড়ি যায়, তারা চাল বিক্রি করতে পারেনা, ডিলাররা এক টনও চাল তুলছেনা। কোনো গ্রাহক নেই। মোটা চাল খারাপ তো কিছুনা। পুষ্টির দিক দিয়ে ভালো। সবাই সরু চাল খাবে, চিকন চাল খাবে।’

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চালের বাজার নিয়ে আপাতত চিন্তা করার কিছু নেই। অবশ্য যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় সেটা আলাদা বিষয়। এখন আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন, কৃষক যাতে তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়। খামারে যারা কৃষিকাজ করে তারা যেন সঠিক মূল্য পায়। এটিও আমাদের দেখতে হবে।এক মান ধান উৎপাদনে লাগে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। সেটা যদি ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে হয় তারা করবে? করবেনা। এবার ৭০০ টাকা হয়েছে এটা আমাদের জন্য, বাংলার লক্ষ লক্ষ কৃষকের জন্য, যাদের ৫০ ভাগের জীবিকা এখনও কৃষি। তাদের ন্যায্যমুল্য দিতে হবে।

বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় কৃষক পর্যায়ে ছোট ছোট পেঁয়াজ উঠিয়ে ফেলায় সরকারও উদ্বিগ্ন বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ এখনো বড় হয়নি। আরও অনেক বড় হওয়া দরকার। আমরা এটা নিয়েও শঙ্কিত আছি। সব ছোট ছোট পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছে। জানুয়ারি মাসে কী উপায় হবে? পেয়াজের উৎপাদন তো কমে যাবে। এ বছর পেয়াজের দাম বেশি থাকায় আগামী বছর দেশে অনেক বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হতে পারে বলে ধারণা করছেন বলেও জানান তিনি। এতে কৃষক পরবর্তী বছর পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য পাবে কিনা তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন কৃষিমন্ত্রী।

 

বৈশাখী নিউজ/ বিসি

loading...