অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন সবচেয়ে অগ্রসর : ডব্লিউএইচও

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বব্যাপী ১৪০টিরও বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে অন্তত ১৩টি ইতোমধ্যেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যেতে সমর্থ হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এ দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ডের গবেষকদের উদ্ভাবিত করোনা ভ্যাকসিন।

এটি বাজারজাত করতে কাজ করে যাচ্ছে ব্রিটিশ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আস্ট্রাজেনেকা। অক্সফোর্ড-আস্ট্রাজেনেকার পাশাপাশি মর্ডানা ইনকরপোরেশনের ভ্যাকসিনও রাখা হয়েছে ফ্রন্ট রানারের তালিকায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন বলেছেন, অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা যতটুকু অগ্রসর হয়েছে সেদিক থেকে আমি মনে করি তারাই শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে।

মর্ডানা ইনকরপোরেশনের ভ্যাকসিন নিয়ে সৌম্য স্বামীনাথন বলেন, আমরা জানি যে মর্ডানার ভ্যাকসিনটি সম্ভবত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যেতে চলেছে। অর্থাৎ এটিও খুব পিছিয়ে নেই।এদিকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন।

করোনাভাইরাস থেকে এসব ভ্যাকসিন মানুষকে কতটা ভালোভাবে সুরক্ষা দিতে পারে সেটি যাচাই করতেই এসব ট্রায়াল সম্পন্ন করা হয়।অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের প্রধান অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড বলেন, ক্লিনিক্যাল স্টাডিজ খুব ভালো চলছে।

আমরা এখন ভ্যাকসিনটি কত বয়সের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধের প্রক্রিয়া চালিত করতে পারে তা মূল্যায়ন করে দেখছি। এ ছাড়া এটি ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম কিনা তা-ও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।আশা করা হচ্ছে, ২০২০ সালের শেষ নাগাদ ভ্যাকসিনটির উন্নয়ন কাজ বা বাজারজাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।

আস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাস্কাল সরিওট জানিয়েছেন, তাদের এ ভ্যাকসিন প্রায় এক বছরের জন্য এ ভাইরাস থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেবে।তিনি বলেন, আগামী আগস্ট বা সেপ্টেম্বর নাগাদ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল পাওয়া যাবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী অক্টোবর নাগাদ এই ভ্যাকসিন সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

আমরা মনে করি, এটি প্রায় বছরখানেক ধরে সুরক্ষা দেবে।আস্ট্রাজেনেকার এ ভ্যাকসিনের ৪০ কোটি ডোজ প্রি-অর্ডার করতে ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তিতে উপনীত হয়েছে ইউরোপের চার দেশ। দেশগুলো হলো- জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস। খবর রয়টার্স ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বৈশাখী নিউজজেপা

loading...