আজ পড়শীর জন্মদিন

হালের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পড়শীর জন্মদিন আজ। ১৯৯৬ সালের ৩০ জুলাই সবার মুখে হাসির জোঁয়ার বয়ে পৃথিবীতে আগমন করেন তিনি। তার বাবা প্রকৌশলী এহসান-উর-রশিদ এবং মা জুলিয়া হাসান গৃহিনী। তার একমাত্র ভাইয়ের নাম এহসান স্বাক্ষর।

নাচ প্রিয় পড়শী নাচের প্রতি আগ্রহী হয়ে নাচ শিখেন এবং পরবর্তীতে ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ‘কমল কুঁড়ি’ নামের একটি গানের প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে সরকারিভাবে ২০০৭ সালে ‘দেশের গানে’ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন। ২০০৮ সালে চ্যানেল আইয়ের ‘ক্ষুদে গানরাজ’-এ দ্বিতীয় রানার আপ হন সাবরিনা এহসান পড়শী। তিনি পপ ও আধুনিক ধারার গান বেশি করেন।

তার সঙ্গীত কর্মজীবন মূলত শুরু হয় ২০০৮ সালের চ্যানেল আইয়ের ক্ষুদে গানরাজ-এ দ্বিতীয় রানার আপ হওয়ার থেকে। ২০০৯ সালে তার প্রথম রেকডিং ছিলো একটি সিনেমার জন্য এবং তার প্রথম একক এ্যালবাম ‘পড়শী’। এ্যালবামটি ২০১০ সালে ঈদে রিলিজ পায়। প্রথম এ্যালবামের পর তিনি ২০১১ সালে থেকে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালর ১৪ ফেব্রুয়ারী তার দ্বিতীয় একক এ্যালবাম ‘পড়শী-২’ মুক্তি পায়। তারপর ২০১২ সালে বর্ণমালা নামে একটি ব্যান্ডদল গঠন করেন পড়শী। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় তার তৃতীয় একক এ্যালবাম ‘পড়শী-৩’। তারপর তার সঙ্গীত জীবনের জনপ্রিয়তার কাহিনী সবারই জানা।

এতো দিন লকডাউনে ঘরবন্দি ছিলেন পড়শী। তবে এ সময়ে বসে ছিলেন না, অ্যালবাম তৈরি করছে। নিজের লেখালেখির পাশাপাশি শেষ করেছেন চারটি গানের কাজ। আর দেশ করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে জমা রয়েছে আরও তিনটি গান।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘লকডাউনে লেখালেখি করছি। নিজের মতো কাজ করছি। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গান তৈরি করেছি। জানি না, এই অচল অবস্থা কবে শেষ হবে? এভাবে আরও কিছুদিন চললে হয়তো অ্যালবাম সংখ্যক গান তৈরি করা সম্ভব। তবে যে গানগুলো
করেছি তা অ্যালবাম হিসেবে নয়, সিঙ্গেল আকারে মুক্তি দেব।’

পড়শী জানান, কোনও গানের নামই চূড়ান্ত করা হয়নি। স্বেচ্ছাবন্দি শেষ হলে রিলিজের আগ দিয়ে চূড়ান্ত করা হবে।

এদিকে, গানচিলের ব্যানারে দুটি গান তৈরি আছে তার। সঙ্গে নিজের কথা ও সুরে তৈরি করেছেন আরও একটি। যার ভিডিওটি বাকি।

জানালেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই গানগুলো ছাড়ার ইচ্ছে তার।

বৈশাখী নিউজজেপা