করোনায় ভিয়েতনামে প্রথম মুত্যু

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের যখন পুরো বিশ্ব নাজেহাল। তখন করোনার সংক্রমণ ন্যূনতম পর্যায়ে ও মৃত্যু শূন্যে রেখেছিল ভিয়েতনাম। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ধরে রাখতে পারেনি তার অর্জন। সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ছোঁয়া পেয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটিতে নতুন করে কভিড-১৯ রোগী বাড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ভিয়েতনামে প্রথম মৃত্যুর খবর দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ। খবর ডয়চে ভেলে ও বিবিসি’র।

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মধ্যাঞ্চলীয় হই আন শহরে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৭০ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ মারা গেছেন। তবে তাঁর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। করোনা আক্রান্ত হয়ে ভিয়েতনামে এটাই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। প্রায় ১০০ দিন ধরে কোনো সংক্রমণ শনাক্ত না হলেও ভিয়েতনামে নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সাড়ে ৯ কোটি মানুষের এ দেশটিতে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৫০৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এমনকি এমন স্থানগুলোতে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রায় সব ঠিকঠাক হয়ে এসেছিল।

এরই মধ্যে উপকূলীয় পর্যটন শহর দানাংয়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পরায় কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। শহরটি থেকে অন্তত ৮০ হাজার পর্যটককে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হবে স্থানীয় বিমানবন্দর।

বিশ্বের গুটিকতক দেশ মহামারির একেবারে শুরুতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়। এর মধ্যে একটি ভিয়েতনাম। দেশটি একেবারে শুরুতে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। শুধু দেশের নাগরিক ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের ভিয়েতনামে আসা বন্ধ করে দেওয়া হয়। করোনা মোকাবিলায় ভিয়েতনামের এই কৃতিত্ব সারা বিশ্বে আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহে জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা দা নাংয়ে করোনা সংক্রমণের খবর আসে। শহরটিতে তখন কয়েক হাজার পর্যটক ছিলেন।শুরুতেই সরকার এ শহরটি অবরুদ্ধ করে ফেলে।

নতুন রোগী শনাক্তের পর ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী জুয়েন জুয়ান ফুক দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আমাদের দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

বৈশাখী নিউজজেপা