চীনের বিরুদ্ধে ফের মার্কিনের নিষেধাজ্ঞা

চীনের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক আচরণের অংশ হিসেবে দেশটির একটি কোম্পানি ও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন সরকার। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার চীনা ‘শিনজিয়াং মেনুফ্যাকচারিং কোম্পানি’ এবং দুই ব্যক্তিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এর কারণ হিসেবে চীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজুহাত তুলে ধরেছে ওয়াশিংটন। খবর রয়টার্স ও পার্স টুডে’র।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে অবস্থিত চীনা কনস্যুলেট বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। চীন সরকার এ ঘটনাকে ‘উত্তেজনা সৃষ্টিকারী, এক তরফা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও রীতির লঙ্ঘনকারী’ হিসেবে অভিহিত করে। দুই দিন পর চীন সরকারও সেদেশের চেংদু শহরে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেয়। এরই মধ্যে দুই দেশেরই এ সংক্রান্ত নির্দেশ বাস্তবায়িত হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে ক্ষমতায় এসেই চীনের বিরুদ্ধে একের পর বিদ্বেষী আচরণ করতে শুরু করেন। এসব আচরণের মধ্যে রয়েছে চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ, হুয়াওয়েসহ বড় বড় চীনা কোম্পানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, চীনের বিচ্ছিন্নতাবাদী দ্বীপ তাইওয়ানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক শক্তিশালী করা, দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার, সাম্প্রতিক সময়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার দায় বেইজিংয়ের ওপর চাপিয়ে দেয়া এবং সর্বশেষ চীনা কনস্যুলেট বন্ধ করে দেয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ ধরণের আচরণের কারণে দিন দিন গোটা বিশ্ব থেকে আমেরিকা এক ঘরে হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বৈশাখী নিউজবিসি