মহামারী করোনায় দেশে আরও ১৯ জনের প্রাণহানি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মহামারী করোনায় আরও ১৯ জনের প্রাণহানি ঘটলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হাজার ৯০৫ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদফতর বিজ্ঞপ্তিতে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হালনাগাদ এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬০৪ জন। তাদের নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার লাখ ছয় হাজার ৩৬৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে, বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক হাজার ৪২২ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন এ সময়ে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে তিন লাখ ২২ হাজার ৭০৩ জন হয়েছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা অনুসারে বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে অষ্টাদশ স্থানে বাংলাদেশ। আর মৃতের সংখ্যায় ৩১তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১২টি ল্যাবে ১৪ হাজার ১৪১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ২৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৩০টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৯ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা।

কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

বৈশাখী নিউজ/ফাজা