বাজেট পাস হলো না পর্তুগালে, ভোটের সম্ভাবনা

পর্তুগালের পার্লামেন্টে বাজেট পাস হলো না। ফলে আবার সম্ভবত নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছে পর্তুগাল।
পর্তুগালে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। তারপর থেকে পার্লামেন্টে বাজেট পাস না হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী কোস্টার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হলো।
গত ছয় বছর ধরে সোশ্যালিস্ট কোস্টা তার সরকার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু পার্লামেন্টের সদস্যরা এই সংখ্যালঘু সরকারের বাজেট পাস করেননি।
এখনো পর্যন্ত যা জানা গেছে
কোস্টার সাবেক শরিকরা রক্ষণশীলদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাজেট বিলের বিপক্ষে ভোট দেয়। এই বাজেট বিলে মধ্যবিত্তের জন্য আয়কর কমানো এবং করোনা-পরবর্তী সময়ে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিল। বাজেটে ঘাটতি কমিয়ে তিন দশমিক দুই শতাংশ করার কথা বলা হয়েছিল।
বামপন্থি পার্লামেন্ট সদস্যরা বলেছেন, সরকার ঘাটতি কমানোর উপরেই সব চেয়ে বেশি জোর দিয়েছিল। শ্রমিক সুরক্ষার দিকটা অবহেলিত ছিল। সামাজিক সুরক্ষার কোনো উন্নতি ঘটানো হয়নি। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হয়নি।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর যুক্তি ছিল, তিনি দেশকে ঋণজালে ফেলতে চাননি। এতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের সুনাম নষ্ট হতো।
বিকল্প নেই
প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডিসুজা সাবধান করে বলেছিলেন, বাজেট পাস করা না হলে, পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়া ছাড়া তার সামনে আর কোনো বিকল্প থাকবে না। সেক্ষেত্রে দুই বছর আগেই নির্বাচনে যেতে হবে পর্তুগালকে।
বুধবারই প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ”যদি পার্লামেন্টে বাজেট পাস না হয়, তাহলে পর্তুগালের মানুষের রায় নিতে হবে। তারাই ঠিক করবেন, ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে তারা কাদের আনতে চান।”
তবে বামপন্থি দলগুলি বলছে, তারা চান, সরকার নতুন বাজেট নিয়ে আসুক। তারা চান, এই পার্লামেন্টই চলুক। সূত্র: ডয়েচে ভেলে।







