ম্যানচেস্টার ডার্বিতে পেপ গার্দিওলার দলের বিজয়

আপডেট: March 4, 2024 |
boishakhinews 11
print news

 

এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। তাতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে পানসে করে দিয়ে উল্লাসে মেতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ফিল ফোডেনের জাদুতে ম্যানচেস্টারের রং হয়ে উঠেছিল আকাশী। ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ৩-১ গোলে জিতেছে পেপ গার্দিওলার দল।

রোববার (৩ মার্চ) রাতে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে থাকে সিটি। প্রথম পাঁচ মিনিটে একচেটিয়া আক্রমণ শাণায় গার্দিওলার দল। সিটির আক্রমণের জবাবে নিজেদের রক্ষণ সামলে খেলতে থাকে ইউনাইটেড। এর মধ্যেই ম্যাচের অষ্টম মিনিটে দারুণ পাল্টা আক্রমণে সিটিকে স্তব্ধ করে দেন মার্কাস রাশফোর্ড।

ডি-বক্সের বাইরে প্রতিপক্ষের একজনের চ্যালেঞ্জের মুখে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কাটব্যাক করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। আর প্রথম ছোঁয়ায় ২৫ গজ দূর থেকে বুলেট গতির শট নেন রাশফোর্ড, বল ক্রসবারের নিচের অংশে লেগে জালে জড়ায়।

গোল খেয়ে পাল্টা আক্রমণ শাণাতে থাকে সিটি। একপ্রকার মরিয়া হয়ে ওঠে পেপ গার্দিওলার দল। জবাবে ইউনাইটেড প্রহরী আন্দ্রে ওনানাও ছিলেন তৎপর। তাতে ৩৩তম মিনিটে রদ্রির শট ঝাঁপিয়ে ফিরিয়ে দেন তিনি। ৪৫তম খুবই সহজ একটি সুযোগ মিস করেন আরালিং হালান্ড। প্রচণ্ড হতাশায় ডাগআউটে মাথায় হাত উঠে যায় গার্দিওলার।

বিরতির পরও একই ধারায় চলতে থাকে লড়াই। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর অবশেষে ৫৬তম মিনিটে সমতায় ফেরে সিটি। রদ্রির পাস ধরে কিছুটা আড়াআড়ি গিয়ে দূরপাল্লার জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ফোডেন। গোল পেয়ে তুমুল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রবল বেগে আক্রমণ করে যায় সিটি।

ইউনাইটেডকে চাপে রেখে ৮০তম মিনিটে এগিয়ে যায় সিটি। নায়ক আবার ফোডেন। কেভিন ডি ব্রুইনের পাস ধরে জুলিয়ান আলভারেজের সঙ্গে ওয়ান টু খেলে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ফোডেন। এরপর ফিরতি পাস ধরে একটু এগিয়ে কোণাকুণি শটে দলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান ২৩ বছর বয়সী ফুটবলার।

প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ফোডেনের এটা ষষ্ঠ গোল, কোনো একক দলের বিপক্ষে যৌথভাবে তার সর্বোচ্চ; ব্রাইটনের বিপক্ষে সমান ৬ গোল করেছেন ইংলিশ তারকা।

পিছিয়ে পড়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি টেন হাগের দল। উল্টো যোগ করা সময়ে গোল করে শাপমোচন করেন হালান্ড। রদ্রির পাস ডি-বক্সে পেয়ে আসরে ২২তম গোলটি করেন নরওয়ের তারকা। সিটির জার্সিতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৮৪ ম্যাচে ৮০ গোল হলো হালান্ডের, প্রিমিয়ার লিগে ৫৭ ম্যাচে ৫৪টি।

এই জয়ে ২৭ ম্যাচে ১৯ জয় ও ৫ ড্রয়ে সিটির পয়েন্ট হলো ৬২। ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে লিভারপুল। এক ম্যাচ কম খেলে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আর্সেনাল। ২৭ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে অ্যাস্টন ভিলা। ১৪ জয় ও দুই ড্রয়ে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে ম্যানইউ

Share Now