৫ মাসের বিরতি এবং ইরানে নতুন একজন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর ভিয়েনায় ২০১৫ সালের ইরান পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছেI
যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালের চুক্তির মতোই এই "জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন" আলোচনায় পরোক্ষভাবে অংশ নিচ্ছেI ইরান সরাসরিভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষরদাতা বাদ-বাকি অন্যান্য দেশ যেমন, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং জার্মানির সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেI এবং ইউরোপীয় কূটনীতিকেরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শলা-পরামর্শ করতে আসা যাওয়ায় নিয়োজিত থাকবেনI
আগের চুক্তির আওতায় ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে তাদের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার বিধান ছিলI সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২০১৮ সালে ঐ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয়I সেই থেকেই ইরানও তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে দাঁড়াতে শুরু করেI
এ যাবৎ ইরান যে পরিমান ইউরেনিয়াম মজুদ করতে সম্মত হয়েছিল, সে সীমা অতিক্রম করেছে, ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণ উচ্চ মাত্রায় নিয়ে গেছে এবং তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে আরো উন্নত মানের সেন্ট্রিফিউজ ব্যবহার করেছেI
ইরান পরমাণু অস্ত্র নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে এই আশংকায় মূল চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, ইরান যে অভিযোগ অস্বীকার করে এবং জানায় যে গবেষণা এবং জ্বালানি উৎপাদনের মতো শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য তাদের পরমাণু কর্মসূচি নেয়া হয়েছেI সূত্র: এএফপি
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/