তিন দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল

টানা তিন দিনের সরকারি ছুটিতে লাখো পর্যটক ভিড় করেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। সৈকতের বালিয়াড়ি ও পর্যটন স্পটগুলোতে যেন তিলধারণের ঠাঁই নেই। এই এই পরিস্থিতিতে রেস্তোরাঁ, যানবাহনসহ সব জায়গায় বাড়তি অর্থ আদায় ছাড়াও নানা হয়রানির অভিযোগ করেছেন পর্যটকরা।

সৈকতেই শুধু নয় হোটেল-মোটেল অলিগলি-রাস্তা সব জায়গায় পর্যটকের ভিড়। পর্যটকবাহী ও সাধারণ পরিবহন এবং ইজিবাইক, সিএনজি অটোরিকশায় বাইপাস সড়ক, কলামতী ডলফিন মোড়, হোটেল-মোটেল জোন, লাবণী, শৈবাল সড়ক ঢেকে যায়। তীব্র যানজটে নাকাল পর্যটন নগরী কক্সবাজার।

এদিকে কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে রয়েছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে পর্যটন স্পটগুলো। পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে সর্বদা সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে।

অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনোও পরিস্থিতি রোধে, পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে এবং পর্যটক বেশেও পুলিশের নারী সদস্যরা সৈকতে অবস্থান করছেন।

কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলে যে পরিমাণ ধারণক্ষমতা রয়েছে তার চেয়ে বেশি লোকসমাগম হয়েছে এবার।

এ ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পাঁচ লাখের বেশি পর্যটকের উপস্থিতি আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসময়ে ৫০ কোটি টাকার বেশি বাণিজ্যের আশা করছেন তারা।

বৈশাখী নিউজ/ ফাজা