স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সারাদেশে পরীক্ষা হওয়ায় এবার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ট্র্যাকিং ডিভাইস যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর ফলে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
আজ শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
জিপিএর মান বাড়ানোয় মেডিকেলে ভর্তির পরীক্ষার্থী কমেছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, আগে দুই পরীক্ষা (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক) মিলিয়ে জিপিএ-৮ পেলে আবেদন করা যেত। এবার তা বাড়িয়ে ৯ করা হয়েছে। যে কারণে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা পরিচালনা করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও এখন করোনা সেভাবে নেই। এখানে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, বিশৃঙ্খলা হয়নি।
জাহিদ মালেক বলেন, একটি দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী পিছিয়ে থাকলে দেশ এগোতে পারে না। আজ পরীক্ষায় বেশি অংশগ্রহণ বলে দেয় মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষায়ও মেয়েরা বেশি পাস করছে। আমাদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগেও মেয়েরা সবচেয়ে বেশি ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে।
এ বছর ছেলেদের চেয়ে মেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৬ শতাংশ মেয়ে।
সরকারি ৩৭টি মেডিকেল কলেজে ৪ হাজার ৩৫০ আসনের বিপরীতে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৭ জন আবেদন করেন। এছাড়া বেসরকারি ৭১ মেডিকেল কলেজে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ৬ হাজার ৭৭২টি।
শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ৫টিসহ দেশের ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/