মো: হুমায়ুন কবির, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:
সাম্প্রতিক অতি ভারী বৃষ্টিতে পুকুর ডুবে ৪শত কোটি টাকার মাছ মুক্ত জলাশয়ে চলে গিয়েছে।
ঐ সব মাছ এখন সৌখিন মৎস্য শিকারীর জালে পড়ছে ধরা। নদী নালা খাল বিল এবং হাওরে স্থানীয় সৌখিন মৎস্য শিকারীরা বিভিন্ন ধরনের জাল ফেলে তা শিকার করছে।
সাম্প্রতিক অতি ভারী বৃষ্টিতে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৭শত ৫০জন ফিসারি মালিকের প্রায় ১১শত ৮০টি পুকুর ডুবে গিয়েছে। ঐ সমস্ত মৎস্য চাষিরা পড়েছেন লোকসানে।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিদের দাবী সরকারি ভাবে যদি তাদের সহযোগিতা না করা হয়, তাহলে তাদের পরবর্তীতে ঘুরে দাঁড়াতে কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে এবং অনেকেই নতুন করে মৎস্য চাষ আর শুরু করতে পারবেনা।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিরা উপজেলা মৎস্য অফিসকে জানিয়েন তাদের ক্ষতিগ্রস্তের পরিমান যার একটি তালিকা অনুযায়ী, হারেছ মিয়া, জসিম উদ্দিন খোকন, জাহানারা এগ্রো, সাইদুর মিয়াসহ ৭ শত ৫০ জন ফিসারি মালিক তাদের বিভিন্ন অংকের প্রায় ৪ শত কোটি টাকা মূল্যের মাছ মুক্ত জলাশয়ের চলে গিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিরা জানান,তাদের ফিসারিতে বিভিন্ন জাতের মাছ ছিল যা চলতি মাসে অনেকের বিক্রির উপযোগী ছিল।
হঠাৎ অতি ভারী বৃষ্টিতে তাদের পুকুর পাড় তলিয়ে যাওয়াতে মাছ বের হয়ে হাওড়ে এবং নদীতে চলে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিরা সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
কেন্দুয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আজহারুল আলম জানান, সাম্প্রতিক কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কেন্দুয়া উপজেলার প্রায় ৭শত ৫০ জন ফিসারি মালিকের ১১শত ৮০টি পুকুর ডুবে প্রায় ৪শত কোটি টাকার মাছ মুক্ত জলাশয়ে চলে গিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে।
তাছাড়া মুক্ত জলাশয়ের মাছ যাতে নিষিদ্ধ জাল বা নদী নালা খাল বিলে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে কেউ শিকার করতে না পারে।
সে দিকে আমাদের নজর রয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/