ফেনী জেলা প্রতিনিধি: আগামীকাল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় সুসজ্জিত ফেনী জেলা মডেল মসজিদ।
আগামীকাল সোমবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শপখ হাসিনা ষষ্ঠ ধাপে দেশের ৫০ টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে চারটি জেলা মসজিদ বাকিগুলো উপজেলা মডেল মসজিদ।
জেলা মডেল মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে ফেনী, গোপালগঞ্জ, নোয়াখালী ও কুমিল্লা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ইমাম সম্মেলন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মসজিদগুলো উদ্বোধন করবেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মনোরম পরিবেশ ও বিস্তৃত জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফেনী জেলা মডেল মসজিদ।
মসজিদটির অপরূপ নির্মাণ শৈলী ও কারুকার্যের কারণে এলাকাবাসীর কাছে ইতোমধ্যে এটি আকর্ষণীয় ধর্মীয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দানকৃত ৪৩ শতাংশ ভূমিতে ফেনী সদর উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে নির্মিত হয়েছে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৪ বছর পূর্বে। নির্মাণ ব্য হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং গণপূর্ত বিভাগের বাস্তবায়নে মসজিদটি নির্মাণ করেছে মেসার্স আরএসসিএল এণ্ড আরএফ নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফেনী'র উপ-পরিচালক মীর মুহাম্মদ নিয়ামত উল্লাহ জানান, বর্তমান সরকারের মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের কনসেপ্ট এর আলোকে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে এ ধরণের মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
মডেল মসজিদের রয়েছে ১০তলা বিশিষ্ট মিনার, অর্নামেন্ট গ্লাস, মসজিদের মাঝে বরাবর গম্বুজ, ঝাড়বাতি, এয়ারকন্ডিশন ও কিতাব সেলফ এবং সম্মুখে প্রশস্ত জায়গা।
ফেনী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আকতার হোসেন জানান, ফেনী জেলা মডেল মসজিদ এর নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে এই মসজিদে নামাজসহ সার্বিক কর্মকান্ড পরিচালিত হবে।
মসজিদের জন্য ভূমিদাতা সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতি কেন্দ্রটি নির্মাণের ফলে এখানে মুসল্লিদের জন্য নামাজ আদায়, ধর্মীয় শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, দ্বীনি দাওয়াতি পরিচালনা নিমিত্তে ভৌত অবকাঠামো সুবিধাদি সৃষ্টি করা হয়েছে।
আমি মনে করি মুসলমানদের জনজীবনে ইসলামিক জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইসলামিক মূল্যবোধের পরিচর্যা ও প্রসার হবে এই মসজিদকে কেন্দ্র করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের নিচতলায় রয়েছে: কার পার্কিং, মরদেহ ধোয়ার ঘর, প্রতিবন্ধীদের নামাজের স্থান, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, বই বিক্রয় কেন্দ্র ও প্রতিবন্ধী কর্নার।
দ্বিতীয় তলায় রয়েছে: মূল নামাজের স্থান, মিটিং হল, অফিস স্পেস, খোলা জায়গা, মৃতদেহের কফিন রাখা ও জানাজার নামাজের স্থান।
তৃতীয় তলায় রয়েছে: পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা নামাজের স্থান, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ইমাম মুয়াজ্জিন ও শিক্ষকদের বাসস্থান, অতিথি খানা, সাধারণ স্টাফদের অফিস রুম, অজুখানা ও টয়লেট ইত্যাদি।
এছাড়া চতুর্থ তলায় রয়েছে: ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র ইসলামিক লাইব্রেরী, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, হজ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ইসলামিক গবেষণা, শিশু ও গণশিক্ষার ব্যবস্থা দেশ-বিদেশি মেহমান এবং পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা ইত্যাদি।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/