পাইলস ক্যান্সারে আক্রান্ত মোমিনা বাঁচতে চান

রেজাউল ইসলাম, হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:
পাইলস ক্যান্সারে আক্রান্ত ৪১ বছর বয়সী মোমিনা বেগম বাঁচতে চান।
তিন কন্যা সন্তানের জননী মোমিনা বেগম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের কাউন্সিল পাড়া গ্রামের ভ্যানচালক শহিদুল ইসলামের স্ত্রী।
বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সংসার হতদরিদ্র হওয়ায় মোমিনা অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে তিনি পাইলস ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। মোমিনা রোগ মুক্ত হয়ে পরিবার নিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চান।
তিন মেয়ের মধ্যে একজনকে বিয়ে দিতে পারলেও আরো দুই মেয়ে নিয়ে দিশেহারা তার ভ্যানচালক স্বামী শহিদুল ইসলাম।
পাইলস ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে মোমিনা কাজ করতে পারছেন না। এদিকে তার ভ্যানচালক স্বামী শহিদুল ইসলাম একাই তিন মেয়ের লেখাপড়ার খরচ ও পরিবারের যাবতীয় ব্যায় বহনে আর কুলিয়ে উঠতে পারছেন না।
ভয়াবহ এই রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় চিকিৎসা খরচ মিলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মোমিনার পরিবারের।
নিরুপায় মোমিনা বাঁচার জন্য সমাজের বিত্তবান শ্রেণী ও সরকারের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চান।
মোমিনা বেগম জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পাইলস ক্যান্সারে আক্রান্ত তিনি। অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন কিন্তু এখন তিনি কাজ করতে পারছেন না।
ইতিমধ্যে দরিদ্র পরিবারের সংসার তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব। স্বামী একাই উপার্জনকারী ব্যক্তি হাওয়ায় তার পক্ষে কোনভাবেই চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।
মোমিনার মেয়ে তাহমিনা আক্তার জানান, প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক সাতটি থেরাপি দেওয়ার কথা জানান। ইতিমধ্যেই তিনটি দেওয়া হয়েছে। আরো চারটি থেরাপি দিতে হবে।
অর্থের অভাবে গত দুই মাসে কোন থেরাপি দেওয়া হয়নি। বাকি থেরাপি চিকিৎসার জন্য মেয়ে তাহমিনা বিত্তবান লোকদের ও সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।
টংভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন বলেন, মোমিনার ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি।
আমি ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু সম্ভব পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। তাঁকে বাঁচাতে সমাজের যারা বিত্তবান তাঁদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।












