শুভ বড়দিন আজ

আপডেট: December 25, 2023 |
inbound2523127330191090821
print news

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবথেকে বড় উৎসব শুভ বড়দিন আজ। খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন আজ ২৫ ডিসেম্বর।

এই দিনে জেরুজালেমের বেথলেহেম নগরীর কাছাকাছি এক গোয়াল ঘরে জন্ম নেন যিশু। এই দিনটিকে খ্রিস্টান সম্প্রদায় সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন করে।

খ্রিস্টানদের বিশ্বাসমতে, পৃথিবীতে যিশুর জন্ম হয়েছে মানবজাতিকে কল্যাণ ও ন্যায়ের পথে পরিচালনা করতে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্টধর্মানুসারীরাও আজ যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আচার-অনুষ্ঠান, আনন্দ-উৎসব এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুভ বড়দিন উদযাপন করবেন।

বড়দিন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গির্জাগুলোকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

রোববার সন্ধ্যা থেকে বিভিন্ন গির্জা এবং তারকা মানের হোটেলগুলোতে ব্যবস্থা করা হয়েছে আলোকসজ্জার।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিস্টধর্মাবলম্বীসহ সবার শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, ধর্মের মূল কথাই হচ্ছে মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করা। সব ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে।

তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা মহামতি যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিনকে যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ‘বড়দিন’ হিসেবে উদযাপন করে থাকেন।

খ্রিষ্ট ধর্মানুসারে যিশু খ্রিষ্ট ছিলেন সত্যান্বেষী, মানবজাতির মুক্তির দূত এবং আলোর দিশারী।

বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

আমরা বিশ্বাস করি– ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সকল শ্রেণি-পেশার জনগণের উন্নয়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

বড়দিন উপলক্ষে সোমবার সরকারি ছুটির দিন। এই দিনে খ্রিস্টান সম্প্রদায় সকালে গির্জায় প্রার্থনায় অংশ নেবেন।

এছাড়া ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজে সাজসজ্জাসহ বিশেষ খাবারদাবারের আয়োজন হয়। কেকসহ মিষ্টিজাতীয় খাবারের আয়োজন থাকে খাবারের মেন্যুতে।

এছাড়াও দেশের অনেক অঞ্চলে আয়োজন করা হয়েছে কীর্তনের পাশাপাশি ধর্মীয় গানের আসর।

বড়দিনের আগে রোববার রাতেও বিভিন্ন গির্জায় বিশেষ প্রার্থনাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Share Now