ঠাকুরগাঁওয়ে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের উদ্বোধন

আপডেট: February 29, 2024 |
inbound6857189560924402757
print news

জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধকালীন ঘটনা ও স্মৃতি নিয়ে নির্মিত ‘‘আত্মকথন’’ শীর্ষক ভিডিও চিত্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভিডিও চিত্র সংকলনের উদ্বোধন করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান।

জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিজা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সোলোমান আলী ,এনএসআই’র জয়েন্ট ডিরেক্টর হেমায়েত হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুর রহমান বাবলু, সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন, ঠাকুরগাঁও জেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুদ্দৌজা বদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি ও ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে ধরে রাখতেই এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এ সময় “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের বিভিন্ন ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সেখানে জানানো হয়, “আত্মকথন” পৃথকভাবে জেলার মোট ৭৮৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার ৬১৫টি খন্ডে নির্মিত হয়েছে।

প্রতিটি ভিডিও চিত্রের ব্যাপ্তি গড়ে ৫-৬ মিনিট। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধার ব্যক্তিগত তথ্য, যুদ্ধকালীন স্মৃতি সহ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, প্রশিক্ষণ গ্রহণ, রণকৌশল, গেরিলা যুদ্ধ সহ যুদ্ধকালীন বিভিন্ন ঘটনা, অভিযান, স্মৃতি স্বতঃস্ফুর্তভাবে উঠে এসেছে।

ধারণকৃত ভিডিওগুলিকে প্রতি উপজেলাভিত্তিক এবং ইউনিয়নভিত্তিক সাজিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং জেলা পর্যায়ের জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ ধরনের সমন্বিত কাজ বাংলাদেশে এটাই প্রথম বলে জানান, জেলা প্রশাসক।

এছাড়াও জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বার্ধক্য, ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্থায়ী স্মৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রচার ও প্রসার এবং ভবিষ্যত গবেষণামূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টির জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

Share Now