অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব পাওয়া ৩৩০ জনকে সরিয়ে দিলো আনসার

আপডেট: February 12, 2026 |
inbound3650798415220812950
print news

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার আনসারের এক দলনেতা টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ৩৩০ জনকে নির্বাচনী দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আনসার বাহিনী থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন ‘প্রশিক্ষণবিহীন’ হওয়ার পরও নির্বাচনী দায়িত্ব পান।

বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতিতে জড়িত যে কাউকেই তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে জানিয়ে বাহিনী আরো জানিয়েছে, রাজধানীর গুলশানের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী মোসাম্মৎ শাহনাজ সুলতানা এবং ভাটারা থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী সামসুন্নাহারকে ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার পর দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, সম্প্রতি হাতিরঝিলের ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর নিবিড় তদারকি চালিয়ে এই দুর্নীতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাতিরঝিল থানার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) নেতা মামুন জনপ্রতি ৪০০ টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনী দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

পরে দায়িত্ব দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১ হাজার ১০০ টাকা হারে উৎকোচ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত ওয়ার্ড দলনেতা মামুন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য শুধু শারীরিক সক্ষমতা নয়, বৈধ সনদ ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাও বাধ্যতামূলক।

ভুয়া সনদধারী, অযোগ্য বা প্রভাবিত ব্যক্তির মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এবার ভোটের মাঠের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে আনসারের সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।

Share Now