কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোককল্যাণ মার্গের মতো উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ না করার বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু তা উপেক্ষা করেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের অদূরে রাহুল গাঁধী, মল্লিকার্জুন খড়্গে, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা-সহ কংগ্রেস সাংসদেরা রাতভর ধর্নার প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। তাতে যোগ দিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও। কিন্তু সন্ধ্যাতেই তাঁদের আটক করে বাসে তুলল দিল্লি পুলিশ।
দিল্লিতে ছাত্র-যুবদের মিছিলে লাঠি, কাঁদানে গ্যাস নিয়ে ‘পুলিশি হামলা’র প্রতিবাদে মঙ্গলবার মোদীর বাংলোর সাননে ধর্নায় বসার আগে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল এক্স পোস্টে লেখেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদী মনে করেন যে তিনি কোনও জবাব না দিয়েই, কোনও পরিণতির মুখোমুখি না হয়েই পার পেয়ে যাবেন — পারবেন না, এবার তো একেবারেই না। আমি প্রত্যেক দেশপ্রেমিক ভারতীয়ের কাছে আবেদন জানাই, যিনি বিশ্বাস করেন যে আমাদের শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়া উচিত — প্রধানমন্ত্রী আবাসনের সামনে আমাদের ধর্নায় যোগ দিন। ভারতের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করা যায় না।’’
কংগ্রেস সাংসদদের পাশাপাশি দুই কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন এবং কর্নাটকের ডিকে শিবকুমারও মঙ্গলবার যোগ দিয়েছেন রাহুলদের ধর্না-বিক্ষোভে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর লোককল্যাণ মার্গের বাংলোর অদূরে ধর্না-বিক্ষোভ শুরু করার পরে তাঁদের সঙ্গে গিয়ে সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ। উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের অন্তর্গত ওই এলাকা থেকে ধর্না প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান তিনি। এর পরে ধর্নাস্থল থেকে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে আবার লোককল্যাণ মার্গে ফিরে যান জিতেন্দ্র। ধর্নার প্রত্যাহারের জন্য শাহের ‘আবেদনের’ কথা জানান কংগ্রেস নেতৃত্বকে।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/