বগুড়া সদর উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারী প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগের পর দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। তবে অভিযুক্ত অপর একজন পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের মধ্যে আলমগীর হোসেন ও শহিদুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে দেন।
আটক আলমগীর হোসেন ওই এলাকার আজিজুল সোনারের ছেলে এবং শহিদুল ইসলাম মৃত আকবর আলীর ছেলে। অপর অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান একই এলাকার মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের পিয়ন হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এ সুযোগে অভিযুক্তরা ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের দাবি।
সম্প্রতি ওই নারীর স্বামী জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন। পরে স্ত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ধর্ষণের ঘটনা জানান। এরপর বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত দুজনকে আটক করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তকে আটকের জন্য পুলিশ কাজ করছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা ও গর্ভধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানা গেছে।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/