রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

আপডেট: July 24, 2026 |
print news

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দেশে ফেরার পরপরই তার পদত্যাগের বিষয়ে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা রয়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর ঠিক কখন এবং কীভাবে তার কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে নিজের স্বাক্ষরিত পত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের বরাবর জমা দিতে হয়।

এদিকে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকা জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগেই শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে দেশে ফিরেছেন। স্পিকারের আগাম দেশে ফেরার খবর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনাকে আরও জোরদার করেছে। কারণ, নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দেন স্পিকারের কাছে।

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, এক সপ্তাহ বিদেশে থাকায় তিনি কিছুই জানেন না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি। তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।

বঙ্গভবনে দায়িত্ব পালনকারী এক কর্মকর্তা বলেন, ‘স্যার দুদিন আগে জানিয়েছেন যে, ওরা আমাকে (রাষ্ট্রপতি) চলে যেতে বলেছেন। হয়তো আমার চলে যেতে হবে। তোমরা চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছেড়ে যার যার মতো করে চলে যাও।’ ‘ওরা’ বলতে কাকে বুঝিয়েছেন-এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা। তিনিই একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর