“নিপীড়ক নয়, জনগণের পুলিশ হতে চাই”: সিএমপি কমিশনার

মোহাম্মদ রেজাউল করিম, স্টাফ রিপোর্টারঃ জনগণের সেবা ও উন্নত আচরণের মাধ্যমেই পুলিশি কার্যক্রমের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি বলেন, “আমরা জনগণের পুলিশ হতে চাই, নিপীড়ক হতে চাই না। পুলিশ ভালো কাজ করছে কি না, তার প্রধান মাপকাঠি হলো নাগরিক সন্তুষ্টি।”
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক।
পুলিশ কমিশনার শওকত আলী বলেন, সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় জনসচেতনতা ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। পুলিশের আচরণ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ যে জনগণের থেকে আলাদা নয়, তা কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করতে হবে।
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের প্রতিবেদনকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই, বরং সেখান থেকে ভুলত্রুটি সংশোধন করে শেখার আছে।”
দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, “সাংবাদিক ও পুলিশ একে অপরের পরিপূরক। সঠিক ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে কোনো বিভাজন তৈরি হয় না।” ৭০ লাখ নগরবাসীর সুরক্ষায় সিএমপির অল্প সংখ্যক পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রেস ক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে পুলিশ ও সাংবাদিকরা দিনরাত প্রতিকূলতার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন।
নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দুই পক্ষের সুসম্পর্ক জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাহবুব মাওলা রিপন। এতে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়া এবং প্রেস ক্লাবের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দসহ দুই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

















