জনগণের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই উল্লেখ করে আগামী দিনের আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য জোটের পক্ষ থেকে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়।
১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশসহ ১১ দলের তিন মাসের কর্মসূচি ঘোষণা
আপডেট: August 6, 2026
|

জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সঙ্কট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিতে তিন মাসের লাগাতার আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১–দলীয় ঐক্য। আগামী পাঁচ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়ে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর পল্টন ও মুক্তাঙ্গন এলাকায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে এসব কর্মসূচির কথা জানান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।
অবস্থান কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে, তা হতে দেওয়া হবে না। আমাদের এখন মূল দাবি—চুলায় গ্যাস চাই, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ চাই। জনগণের এই ন্যায্য দাবি আদায় না হলে আন্দোলন আরও বেগবান করা হবে। সংসদে বসে মিথ্যা না বলার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
কর্মসূচিতে উপস্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। গত পাঁচ মাসে এই সরকারের পারফরম্যান্স মাইনাসে নেমে এসেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রদল তাদের বিরোধীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, যা সাবেক ছাত্রলীগের দমনমূলক ব্যবস্থার কথাই মনে করিয়ে দেয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহবান জানান।
কর্মসূচিতে ঘোষিত আগামী তিন মাসের লাগাতার কর্মসূচিগুলো হলো:
- ৫ সেপ্টেম্বর: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ।
- ১৯ সেপ্টেম্বর: সড়কপথে রংপুরে লংমার্চ ও পথসভা।
- ১০ অক্টোবর: ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে সড়কযাত্রা।
- ২৪ অক্টোবর: ঢাকা থেকে সিলেটে রেলপথ যাত্রা।
- ১৪ নভেম্বর: ঢাকায় সারাদেশের মানুষের অংশগ্রহণে মহাসমাবেশ।










