প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ৮, ২০২৬, ৪:৫৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ৮, ২০২৬, ১:৩০ পি.এম
জুলাই জাদুঘর থেকে ফেলানী, সীমান্ত হত্যার তথ্য ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে
জুলাই জাদুঘর থেকে ফেলানী হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিবাহী ছবি, সীমান্ত হত্যার তথ্য এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিবিরোধী আন্দোলনের কিছু ছবি সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঐতিহাসিক উপাদান সরিয়ে ফেলার পেছনে ভারতকে ভয় পাওয়ার বিষয়টি কাজ করেছে কি না, সে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যখন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ আমরা এখানে এসেছিলাম। তখন এখানে ফেলানীর স্মৃতি সংবলিত ছবি এবং সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর হাতে নিহত বাংলাদেশিদের তথ্যের একটি অংশ ছিল। পাশাপাশি মোদিবিরোধী আন্দোলনের কিছু স্থিরচিত্রও ছিল। কিন্তু আজ সেগুলো দেখতে পেলাম না।
তিনি বলেন, বিএনপি কি ভারতকে ভয় পেয়ে ফেলানীর স্মৃতিসংবলিত ছবি এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের ছবিগুলো জাদুঘর থেকে সরিয়ে দিয়েছে? তারা সবার আগে বাংলাদেশ বললেও আমরা দেখছি, যদি ভয় না পেত, তাহলে এটা তো আমাদের ইতিহাসের অংশ। যেটা ইতিহাসের অংশ, সেটা কেন থাকবে না?
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার সঙ্গে ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিভিন্নভাবে জড়িত ছিল। কিন্তু জাদুঘরের বর্তমান প্রদর্শনীতে সেই ইতিহাস যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। পুরো জাদুঘর ঘুরলে মনে হবে, এখানে শুধু দেশীয় ফ্যাসিবাদের ইতিহাসই তুলে ধরা হয়েছে। অথচ এর সঙ্গে জড়িত বৈদেশিক শক্তিগুলোর, বিশেষ করে ভারতের ভূমিকার ইতিহাসও জাদুঘরের প্রদর্শনীতে বিভিন্নভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।
মোদিবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস জাদুঘর থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, হয়ত এগুলো সরিয়ে দিয়ে মনে করা হচ্ছে, এই সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে পারবে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো বা মন্দ যেটিই হোক, সম্পর্ক হওয়া উচিত মর্যাদাপূর্ণ। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করা সম্ভব নয়।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/