ডারউইন টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পেসারদের তোপের মুখে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচে একাই ৬ উইকেট নিয়ে অজিদের ইনিংস ধসিয়ে দেন টাইগার পেসার হাসান মাহমুদ।
এদিন শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। সবচেয়ে বেশি আগ্রাসী ছিলেন হাসান মাহমুদ। একাই ৬ উইকেট তুলে নেন এই পেসার। পাশাপাশি তাসকিন আহমেদ-ইবাদত হোসেনের তোপে প্রথম ইনিংসে দুইশর আগেই অল আউট হয় অস্ট্রেলিয়া।
দলীয় ৪৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। হাসান মাহমুদের ফুলার লেন্থের বলে ব্যাটের কানায় লেগে লিটন দাসের ক্যাচ হন ৩৭ বলে ২৩ রান করা ওয়েদারল্ড। এরপর হাসানের বলেই ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হন ট্রাভিস হেড।
ইবাদতের বলে স্টিভেন স্মিথের ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। খানিক বাদেই ইবাদতের বলে ১ রান করা মার্নাস ল্যাবুশেনের ক্যাচ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তাসকিন আহমেদের বলে ১৩ রান করা ক্যামেরন গ্রিনকে দারুণ ক্যাচে ফেরান মুশফিকুর রহিম।
৭৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় সেশনে স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৫৫ রানের জুটি গড়েন। পরে ইবাদতের বলে ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হন ক্যারি। তাতেই ভাঙে অজিদের জুটি। এরপর তাসকিনের ইনসুইংয়ে বোল্ড হন বিউ ওয়েবস্টার। তাতেই ১৫২ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন স্মিথ।
এরপর প্যাট কামিন্সকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান হাসান। এরপর মিচেল স্টার্ককেও ফিরিয়েছেন তিনি। মাত্র ১ রান করে লিটনের ক্যাচে ফেরেন স্টার্ক। এতে অল আউট হওয়ার দ্বারপ্রান্তে চলে যায় অজিরা। এর মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় সেশনটিও নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। ৪৮ ওভারে ১৮৩ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে চা বিরতিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।
চা বিরতির পরও বাংলাদেশের দাপট অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত স্মিথের প্রতিরোধও ভাঙেন হাসান। তার বলে টপ এজ হয়ে উইকেটের পেছনে লিটনের ক্যাচ হন স্মিথ। ১০৯ বলে ৭১ রান করে ফেরেন তিনি। এটি ছিল হাসানের পঞ্চম উইকেট। এরপর ৭ রান করা নাথান লায়নকে আউট করে অজিদের অল আউট করে দেন হাসান। এই পেসার ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/