মা-বাবার নামে সম্পদ, পরে নিজের নামে! হারুন-শাহারিয়ারের ৩৮ কোটি টাকার দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ ও তার ছোট ভাই এবিএম শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক। তদন্তে উঠে এসেছে, সম্পদের প্রকৃত মালিকানা ও উৎস আড়াল করতে মা-বাবার নামে সম্পদ কিনে পরে হেবা দলিলের মাধ্যমে নিজের নামে নেওয়া এবং ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ার পর বুধবার পৃথক দুই মামলায় চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক।
এর মধ্যে হারুনের প্রায় ২০ কোটি এবং শাহারিয়ারের ১৮ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজীর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ ও তার ছোট ভাই এবিএম শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক। তদন্তে উঠে এসেছে, সম্পদের প্রকৃত মালিকানা ও উৎস আড়াল করতে মা-বাবার নামে সম্পদ কিনে পরে হেবা দলিলের মাধ্যমে নিজের নামে নেওয়া এবং ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ার পর বুধবার পৃথক দুই মামলায় চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক। এর মধ্যে হারুনের প্রায় ২০ কোটি এবং শাহারিয়ারের ১৮ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজীর আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।দুদক জানায়, হারুনের সম্পদের তালিকায় রয়েছে দক্ষিণখানের আশিয়ান সিটিতে ৫ কাঠার প্লট ও প্রায় ৮২ একর জমি, বনানীতে ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ জমি ও ভবন, উত্তরা সেক্টর-৩-এ ৮ তলা বাড়ি, পুলিশ অফিসার্স বহুমুখী সমবায় সমিতির ৩ দশমিক ৬৮ কাঠার প্লট এবং কক্সবাজার ও টেকনাফের জমি।
বনানীর সম্পত্তির মূল্য ৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। দুদকের তদন্তে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ৩ মার্চ হারুনের বাবা আবদুল হাসেমের নামে জমিটি কেনা হয়। কিন্তু ওই সম্পত্তি কেনার মতো তার বাবার আর্থিক সক্ষমতার তথ্য তদন্তে পাওয়া যায়নি। মাত্র ১৮ দিনের মাথায় ২১ মার্চ হেবা দলিলের মাধ্যমে জমিটি হারুনের নামে হস্তান্তর করা হয়। উত্তরার ২৬/এফ, রোড-২০-এর ৮ তলা বাড়িতে হারুনের মালিকানা ৫০ শতাংশ। জমি ও ভবন নির্মাণে তার অংশের মোট বিনিয়োগ ৫ কোটি ২৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫০ টাকা। আয়কর নথি অনুযায়ী তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৯ কোটি ২১ লাখ ১ হাজার ৬৯৩ টাকা। হারুনের ব্যাংক হিসাবেও বড় অঙ্কের লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক। তদন্ত নথিতে বলা হয়েছে, এসব লেনদেনের কারণে ২০২৪ সালের আগস্টে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসএআর) দাখিল করে।












