ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: September 12, 2026 |
dsfasd 15
print news

আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশটা সবার। তাই দেশকে সবাই মিলে গড়ে তুলতে হবে। সকলে মিলে চেষ্টা করলে দেশের পরিবর্তন সম্ভব। পরিবার, সমাজ ও দেশকে সুস্থ রাখতে সবাইকে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রতিদিন এক ঘণ্টা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে সময় দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান–২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানস্থল থেকে অনলাইনে দেশের সব জেলার স্কাউটস, বিএনসিসি, গার্লস গাইড, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লাখ লাখ তরুণের সঙ্গে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান তরুণদের শক্তির পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি সদস্য ২২ হাজার।

এ ছাড়া হাইস্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দেড় কোটি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে আড়াই কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। এত বিশাল সংখ্যক মানুষ দেশ পুনর্গঠনে নামলে কেউ আমাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

তরুণ সমাজের পরিবর্তনের ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একটি দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে সেটা করা সম্ভব। তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তারা সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই হয়েছে।

দেশব্যাপী শুরু হওয়া এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের লক্ষ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস আমরা ডেঙ্গু সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব। হয়তো আমরা ১০০ ভাগ পারব না, কিন্তু অন্তত ৮০ শতাংশ সফল হতে পারব বলে আমার বিশ্বাস। ডেঙ্গু সাধারণত ভাঙাচোরা পাত্র, প্লাস্টিক বা জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয়। আমরা যদি সবাই মিলে এসব পরিষ্কার করি, তাহলে দেশ পরিবর্তন করা সম্ভব।

সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কাজটা খুব কঠিন নয়। প্রতি সপ্তাহে আপনি যদি আপনার নিজের বাসা, স্কুল, কলেজ বা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার করার জন্য এক ঘণ্টা সময় দেন, তাহলে দ্রুততার সঙ্গে আমরা পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে সক্ষম হব। রাস্তাঘাটে অনেকে অসচেতনভাবে ময়লা ফেলে দেন। আমরা যারা পরিচ্ছন্নতা অভিযান করব, তারা যেন এসব মানুষকে নিরুৎসাহিত করি এবং সচেতন করি।

ময়লা-আবর্জনা থেকে রোগজীবাণু ছড়িয়ে আপনজনেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে সতর্ক করেন তিনি। বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘পরিচ্ছন্ন পরিবার, পরিচ্ছন্ন সমাজ এবং পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং উপস্থিত তরুণদের এই কাজে ব্রতী হওয়ার শপথ পড়ান।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর