বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ হস্তান্তর

জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি আসাদুল ইসলামের (৩০) মরদেহ ৩৬ ঘন্টা পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের দানাজপুর বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্ত পিলার ৩৪০/৩-এস এলাকার শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
নিহত আসাদুল ইসলাম উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে। মরদেহ হস্তান্তরের সময় দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল আল মুইন, বৈরচুনা বিজিবি তিন ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার শাহ আলম, পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হাকিমসহ বিজিবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মরদেহ হস্তান্তরের আগে রোববার সকাল ১১টা ও সন্ধ্যা ৬টার দিকে রামনা-চান্দোহর সীমান্তের পিলার ৩৩৩/২-এস এলাকার শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল আল মুইনের নেতৃত্বে বিজিবির প্রতিনিধিদল এবং ভারতীয় বিএসএফের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
পরে বিজিবি নিহতের মরদেহ তাঁর স্ত্রী ও চাচাতো ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের ভবানীপুর সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে আসাদুল ইসলাম নিহত হন।
এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি-ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে মোস্তাকিন (৩৪) ও মনসা বর্মনের ছেলে উদা চন্দ্র রায় (৩৫)-আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক হন।












