গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে নির্বাচন অবশ্যই স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ সাথে হতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ

জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে নির্বাচন অবশ্যই স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দৃঢ়তার সাথে হতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজলে মোঃ সানাউল্লাহ (অবঃ)।
১৪ অক্টোবর (বুধবার) ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজলে মোঃ সানাউল্লাহ (অবঃ)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব আখতার আহমেদ। রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ-বিপিএম ।
সভায় নির্বাচনি এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ ছাড়াও নির্বাচনি অপরাধ প্রতিরোধ, ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি এবং প্রার্থী ও সমর্থকদের আচরণবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপনির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন হবে না।
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এখানে তিনগুণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য থাকবে, তাই এই নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন হবে না।







