২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ

আপডেট: October 31, 2026 |
received 4842171349402829
print news

স্বপ্ন রোজ,নিজস্ব প্রতিবেদক -পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুবিধা চাওয়ার পাশাপাশি স্পনসর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ওপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

ডিবিএর মতে, বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, লেনদেন বৃদ্ধি, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির ইকুইটি অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানো সম্ভব হবে।

এ লক্ষ্যে বুধবার (২৮ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের কাছে প্রস্তাবনা পেশ করেছে ডিবিএ।

বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিlজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত কর অব্যাহতি রয়েছে। এর অতিরিক্ত মুনাফার ওপর সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য। এই কর অব্যাহতি পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্বহালের পাশাপাশি বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছে ডিবিএ।

সংগঠনটির প্রস্তাব অনুযায়ী, আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তিকৃত যোগ্য লেনদেনের মূলধনি মুনাফা করমুক্ত করা যেতে পারে।

তবে স্পনসর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ওপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে একমত পোষণ করেছে সংগঠনটি।

ডিবিএ জানিয়েছে, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিবিএল) পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাবের প্রক্রিয়া সহজ হবে। এ বিবেচনায় সিসিবিএলের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফার ওপর কর অব্যাহতি চেয়েছে তারা।

ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে এটি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।

প্রস্তাবটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিবিএ। পাশাপাশি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ডিবিএর সেক্রেটারি মো. দিদারুল গনী।

Share Now