পাপুলের স্ত্রী-কন্যার নথি জালিয়াতি, দুদককে তদন্তের নির্দেশ

আপডেট: February 11, 2021 |
print news

পাপুলের স্ত্রী-কন্যার নথি জালিয়াতির বিষয়ে দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও টাকা পাচারের অভিযোগের মামলায় কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদনে নথি জালিয়াতি হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অপর দুজন হলেন পাপুলের স্ত্রী জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফা ইসলাম। আগামী ২ মাসের মধ্যে এ অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আইন অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুদক কৌঁসুলি খুরশীদ আলম বলেন, আগাম জামিন আবেদনে নথি জালিয়াতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। দুই মাসের মধ্যে সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও তার মেয়ে ওয়াফা ইসলাম এবং তদবিরকারক হাফেজ আহমেদসহ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রতিবেদন দেবেন।

দুই কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার অর্থ পাচারের অভিযোগে শহিদ ইসলাম পাপুল ও তার স্ত্রী, কন্যা ও শ্যালিকার বিরুদ্ধে গত বছর ১১ নভেম্বর মামলা করে দুদক। এ মামলায় গত বছর ২৬ নভেম্বর তারা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন।

এর মধ্যে পাপুলের স্ত্রী ও মেয়ের আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি নিয়ে তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। তবে তাদের আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নথি জমা দেওয়া হয়। যেখানে বলা হয়, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের একটি শাখায় হিসাবে অর্থ পাচারের সংঘটিত হতে পারে মর্মে প্রতীয়মান হয়নি।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর