করোনা মহামারিতে এক বছর বন্ধ থাকার পর চলতি বছর পর্বতারোহীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় নেপাল সীমান্ত। তবে সমস্ত সতর্কতা সত্ত্বেও করোনা শনাক্ত হয়ে এভারেস্ট বেসক্যাম্প থেকে মে মাসে ফিরতে শুরু করেন আরোহীরা। সূত্র: দ্য ওয়াল
কিন্তু দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এক মেডিকেল অফিসারের চেষ্টায় বেসক্যাম্পে সুস্থ হয়ে ওঠেন ২০০ জন কভিড আক্রান্ত আরোহী! সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের মেডিকেল অফিসার ড. তরুণ রানা-ই মূলত দায়িত্ব নিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন।
বেসক্যাম্পে ২৮০ জন আরোহীর মধ্যে সন্দেহভাজন কভিড আক্রান্ত ২০০ জন ছিলেন। ১০ লিটার অক্সিজেন সিলিন্ডারের সীমিত জোগান, স্টেরয়েড ইনজেকশন, কিছু জীবনদায়ী ওষুধ এই সবটা অতি দক্ষতার সঙ্গে, মাপমতো কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যান তিনি। সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি উচ্চতায় এই কাজ করা মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের মিশেলে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
ড. রানা বলেন, ‘সারা বিশ্ব থেকে অনেক মানুষ এসেছিলেন বেসক্যাম্পে। ভাইরাসের সংক্রমণের উপসর্গ ছিল ২০০ জনের শরীরে। ২০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। একজনের অবস্থা বেশ খারাপও হয়, ওষুধ কাজ করেনি। তাকে কাঠমান্ডু নামিয়ে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হয়।’
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/