আফগানিস্তান ছাড়তে মরিয়া লোকজনকে সশস্ত্র তালেবান সদস্যরা কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছতে বাধা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সব নাগরিক আফগানিস্তান না ছাড়া পর্যন্ত দেশটিতে মার্কিন সেনা অবস্থান করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
রবিবার তালেবান কাবুলে প্রবেশ করার পর থেকেই ২০ বছর আগে শেষ হওয়ার তালেবান শাসনে জারি থাকা কঠোর শরিয়া আইন আবার ফিরে আসতে পারে এই আশঙ্কায় হাজার হাজার লোক দেশটি ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে, এক সঙ্গে এতো লোক জড়ো হওয়ার কাবুল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
জার্মানিতে পৌঁছানো একটি আফগান পরিবারের এক সদস্য বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘সবাই বের হতে চায়। প্রত্যেকটা দিন আগের দিনের চেয়ে খারাপ। আমরা আমাদের রক্ষা করেছি কিন্তু আমাদের পরিবারগুলোকে উদ্ধার করতে পারিনি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তালেবান সদস্যরা লোকজনকে বিমানবন্দরের ভেতরে যেতে বাধা দিচ্ছে, যাদের ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে তাদেরও বাধা দেওয়া হচ্ছে।
তালেবান সদস্যদের বাধা পার হওয়ার চেষ্টা করা এক ব্যক্তি বলেন, ‘এটি পুরোপুরি একটি বিপর্যয়। তালেবানরা শূন্যে গুলি ছুড়ছে, লোকজনকে ধাক্কা দিয়ে, একে-৪৭ রাইফেল দিয়ে পেটাচ্ছে।’
এক তালেবান কর্মকর্তা জানান, কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে কমান্ডার ও সৈন্যরা জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শূন্যে গুলি ছুড়েছে; রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘কাউকে আহত করার কোনো উদ্দেশ্য নেই আমাদের।’
এসবের মধ্যেই বিমানবন্দরটি থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিক ও বিদেশি সরকারগুলোর পক্ষ হয়ে কাজ করা আফগানদের বিমানে তুলে সরিয়ে নেওয়া অব্যাহত আছে।
মার্কিন নাগরিকদের সরানো শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা থাকবে বলে জানিয়েছেন বাইডেন। এতে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত তারিখ ৩১ অগাস্ট পার হয়ে গেলেও তারা অবস্থান করবে বলে পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সম্পাদকীয় : নাহার ম্যানশন (৩য় তলা), ১৫০ মতিঝিল ঢাকা।
ই-মেইল: boishakhinews24.net@gmail.com
হট লাইন: ০১৬৮৮৫০৫৩৫৬
https://www.boishakhinews24.net/