শিবগঞ্জে গৃহবধূ শিরিনাকে বাঁচাতে প্রয়োজন আর্থিক সহযোগিতা

আপডেট: June 3, 2023 |
print news

শাহজাহান আলী, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: বগুড়ার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গৃহবধূ শিরিনা বেগম (৩৫) কে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

শিরিনা বেগম গত ৩ মাস যাবৎ কিডনির সমস্যা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। সে শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের
(গুজিয়া) ধাওয়াগীর কৃষ্টপুর গ্রামের ভ্যান চালক সাইফুল ইসলাম এর স্ত্রী ।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, ভ্যান চালক সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শিরিনা বেগম গ্রামের অন্যান্যদের মত জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলো।

হঠাৎ গত ৩ মাস পূর্বে গৃহবধূ শিরিনা বেগমের কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। তার স্বামী ভ্যান চালক সাইফুল ইসলাম চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেন।

তাদের পরিবার আর্থিক ভাবে অচ্ছল হওয়ার কারণে ভালো চিকিৎসা করাতে পারছে না স্বামী সাইফুল ইসলাম।

প্রতিবেশীরা শিরিনার সু-চিকিৎসার জন্য তাদের স্বাধ্যমত আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করেন।

অসুস্থ্য রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও এখন ওই গৃহবধূর প্রতি সপ্তাহ ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়, যা ব্যয় করা ভ্যান চালক স্বামীর পক্ষে সংগ্রহ করা কষ্টকর।

এ কারণে ওই গৃহবধূ ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় কৃষ্টপুর গ্রামে সরেজমিনে গেলে, গৃহবধূ শিরিনা বেগম বলেন, আমার হঠাৎ করে কিডনির সমস্যা দেখা দেয়।

পরীক্ষা- নিরীক্ষার পর ডাক্তার বলেছে, আমার দু’টি কিডনি নষ্ট হয়েছে। আমার চিকিৎসার জন্য আমাকে দেশের বাহিরে নিতে হবে। আমার স্বামী একজন ভ্যান চালক। ভ্যান চালিয়ে দিনে যে টাকা রোজগার করেন তা দিয়ে কোন রকম ভাবে দিন খেয়ে না খেয়ে দিন অতিবাহিত করতে হয়।

আমার স্বামীর অন্য কোনো আয়ের উৎস না থাকায় হয়তো টাকার অভাবে আমার চিকিৎসা করা সম্ভব হবে না।

আমি বাঁচতে চাই, আমার দুই সন্তানের জন্য। তাই সমাজের সকল বৃত্তবান, দানশীলদের নিকট সাহায্যের আবেদন করছি।

আমার চিকিৎসার জন্য আমাকে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করতে বিকাশ ০১৭৪৬২৬১৪৪২ নম্বর পাঠাতে অনুরোধ করছি।

গৃহবধূ শিরিনার স্বামী ভ্যান চালাক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রীর ২টি কিডনি নষ্ট হয়েছে। আমি আমার স্ত্রীকে বাঁচাতে আমার আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে আমার স্ত্রীর চিকিৎসা করেছি।

এখন আমার স্ত্রীকে সপ্তাহে ২দিন ডায়ালাইসিস করতে হয়। এতে আমার প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

আমি গরীব মানুষ এতো টাকা ব্যয় করা আমার পক্ষে কষ্ট সাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে । আমি সমাজের বৃত্তবানদের কাছে আমার স্ত্রীকে বাঁচাতে সহযোগিতা চাই।

প্রতিবেশী আব্দুর ছাত্তার, শাহ জালাল প্রামানিক সহ বেশ কয়েক জন বলেন, শিরিনার স্বামী ভ্যান চালক।

শিরিনার ২টি কিডনি নষ্ট হয়েছে। আমরা প্রতিবেশীরা সহযোগিতা করেছি। কিন্তু শিরিনাকে দেশের বাহিরে নিয়ে চিকিৎসা করালে হয়তো বা সে বেঁচে যেত। তার চিকিৎসার জন্য সকলেই সযোগিতা করবেন।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর