আমাদের ইরানে যাওয়া উচিত হয়নি, স্বীকার করলেন ট্রাম্প

আপডেট: May 31, 2026 |
inbound7741703577099387620
print news

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিকভাবে জড়ানো উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক নীতি, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন,আপনি ইরাকের পরিস্থিতি দেখুন। আমরা খুব খারাপ করেছি। এটি ছিল একেবারেই বোকামিপূর্ণ কাজ। আমাদের শুরুতেই সেখানে যাওয়া উচিত ছিল না।

তিনি আরও যোগ করে বলেন,আমাদের ইরানে যাওয়াও উচিত হয়নি।

তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ না থাকলে ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে ফেলতো। তার ভাষায়, “আমরা যদি নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে তারা এখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতো এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।”

ট্রাম্প আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারতো।

তিনি মন্তব্য করে বলেন, “আপনি হয়তো ইসরায়েলকেও দেখতে পেতেন না, এমনকি পুরো মধ্যপ্রাচ্যকেও না- এরপর তারা কোথায় যেতো?”

যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে বড় ধরনের লক্ষ্যবস্তু না করার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। ট্রাম্প বলেন, “আমরা তাদের সামরিক বাহিনীকে কিছুটা এড়িয়ে চলেছি, কারণ আমরা মনে করি তারা তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী। তবে তাদের অন্য অংশগুলো মধ্যপন্থী নয়- সেগুলোই আমরা লক্ষ্যব্স্তু করেছি।”

তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে ধ্বংস করার ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে। তার কথায়, “যুদ্ধের সময় সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার মতো ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার ফলে এমন একটি দেশ তৈরি হয়, যা ৪০ বছরেও পুনর্গঠন করতে পারে না।

ট্রাম্পের এসব মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক চলছে। সূত্র: আল-জাজিরা

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর