টটেনহ্যামকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে চেলসি

প্রথমার্ধে লড়াইটা হলো প্রায় সমানে সমান। তবে বিরতির পর একচেটিয়া আধিপত্য করল চেলসি। ভাগ্যকেও পাশে পেল তারা। দুইয়ে মিলে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৩-০ উড়িয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠল টমাস টুখেলের দল।
ম্যাচে বল দখলে সামান্য এগিয়ে থাকা সফরকারীরা গোলের উদ্দেশে শট নেয় মোট ২০টি, যার ১০টি ছিল লক্ষ্যে। আর টটেনহ্যামের আট শটের মাত্র দুটি লক্ষ্যে। প্রথম ৪৫ মিনিটে উল্লেখযোগ্য সুযোগের দেখা মেলেনি খুব বেশি, তবে মাঠের লড়াই হয় প্রাণবন্ত। দুই দলই খেলে গতিময় ফুটবল।
চেলসিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রথম সম্ভাবনা জাগান ম্যাসন মাউন্ট। দারুণ পাল্টা আক্রমণে উঠে তিনি পাশে খুঁজে নেন রোমেলু লুকাকুকে। বেলজিয়ান স্ট্রাইকার দেন ফিরতি পাস, গোল করার মতো পজিশন থেকে মাউন্টের নেওয়া শট প্রতিহত করেন ডিফেন্ডার এমেরসন।
আর ৩১তম মিনিটে কাই হাভার্টজের হেড হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট। দুই মিনিট পর চেলসির রক্ষণে ভীতি ছড়ান সন হিউং-মিন। গতিতে ডিফেন্ডরকে পেছনে ফেলে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন দক্ষিণ কোরিয়ার এই মিডফিল্ডার। আগে থেকে বিপদ আঁচ করতে পেরে এগিয়ে গিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে নেন গোলরক্ষক কেপা আরিসাবালাগা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে প্রবল চাপ বাড়ানো চেলসি এগিয়ে যায় ৪৯তম মিনিটে। মার্কো আলোনসোর ক্রসে হেডে গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার সিলভা। ৮ মিনিট পর সৌভাগ্যসূচক গোলে ব্যবধান বাড়ায় সফরকারীরা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে ফরাসি মিডফিল্ডার কঁতের শটে বল এরিক ডায়ারের পায়ে লেগে দিক পাল্টে পোস্টে লেগে গোললাইন পেরিয়ে যায়। তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষক উগো লরিসের।
৮০তম মিনিটে জয় নিশ্চিত করে ফেলতে পারতেন টিমো ভেরনার। ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে ফাঁকায় জার্মান ফরোয়ার্ডকে খুঁজে নেন লুকাকু। কিন্তু প্রথম ছোঁয়ায় বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি ভেরনার। দুই মিনিট পর ডাবল সেভে ব্যবধান বাড়তে দেননি লরিস।
চার মিনিট যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে টটেনহ্যামের হতাশা আরও বাড়ান রুডিগার। ডান দিক থেকে ভেরনারের কাটব্যাক পেনাল্টি স্পটের কাছে পেয়ে নিচু শটে ঠিকানা খুঁজে নেন জার্মান ডিফেন্ডার।
পাঁচ ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে উঠেছে ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুলের পয়েন্টও সমান ১৩; গোল ব্যবধানে এগিয়ে দুইয়ে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।
১২ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিওন। তার পরে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট ১০। এভারটনের পয়েন্টও ১০। টানা দুই ম্যাচে হারা টটেনহ্যাম ৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে সাত নম্বরে।







