ফরিদপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন নিক্সন চৌধুরী

তারেকুজ্জামান, ফরিদপুর প্রতিনিধি: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসন থেকে তৃতীয়বারের মত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন)।
আজ বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ কামরুল আহসান তালুকদার এর নিকট এ মনোনয়ন পত্র জমা দেন।
তিনি, বর্তমান যুবলীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং ২০১৪ ও ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এ আসনে এমপি নির্বাচন করে জয়লাভ করেছেন।
তিনি আজ শত শত গাড়ি বহর নিয়ে ফরিদপুরে আসেন মনোনয়ন জমা দিতে এর আগে সকালে তিনি তার বাবা মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর কবর যিয়ারত করে তার বাসা থেকে রওনা দেন এর পর চন্দ্রপাড়া ও আটরশি দরবার শরীফের মাজার যিয়ারত করেন।
এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্যাহর নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তিনি এবারের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ এর নির্বাচন পরিচালনা কমেটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন।
নৌকার এ প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে লড়বেন নিক্সন চৌধুরী।
এ সময় নিক্সন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন সুষ্ঠু করবেন, আমাদের জনগণ একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে আছেন এবং আমরা আশাবাদী ফরিদপুর-৪ এ ২০১৪ এবং ২০১৮ নির্বাচনে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন, দুইটা নির্বাচনই শতভাগ সুষ্ঠু হয়েছিল।
আমাদের নেতাকর্মীদের কাজী জাফর উল্যাহ মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
আমি জানি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশে নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ, তাই আমার নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হবে গত দুইবারের মত। কাজী জাফর উল্যাহ সাহেব আমার এলাকায় ভোটে দেউলিয়া, সে তার নেতাকর্মীদের বলে প্রশাসন দিয়ে ভোটে ব্যাবস্থা নিবে, তখন আমি বলতে চাই যদি কোনরকম ভাবে জাফর উল্যাহ সাহেব প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে সেটা তিনি পারবেন না কারন নির্বাচন একশত ভাগ সুষ্ঠু হবে।
ওনার অবস্থা দেউলিয়া দেখে মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে, এ ভয় দিয়ে লাভ হবে না। আমি এবং আমার তিন থানার জনগণ আশাবাদী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটা সুষ্ঠু শান্তিপ্রিয় নির্বাচন হবে।
এ সময় ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর।
মনোনয়ন আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর।
নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৭ জানুয়ারি।













