ইয়াবা রাখার দায়ে যুবকের কারাদণ্ড

লক্ষ্মীপুরে ইয়া-বা ট্যাবলেট রাখার দায়ে খোরশেদ আলম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। একই সাথে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের রায় দেয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত খোরশেদ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার বান্ধুনীমুড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। জসিম রামগঞ্জ পৌরসভার কলছমা গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। একই মামলায় জসিম নামে এক আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন। অপর আসামী জসিম আদালতে উপস্থিত ছিল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের ২১ জুন রাতে রামগঞ্জ পৌরসভার কলছমা গ্রামের মান্দার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়কালে খোরশেদ আলম ও তার ছোট ভাই সোহেল আলমকে আটক করা হয়। তাদের দুইজনের কাছ থেকে ১১০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জসিম নামে আরেকজন৷
এ ঘটনায় রামগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামান বাদি হয়ে আটককৃত খোরশেদ, সোহেল ও পলাতক জসিমের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পংকজ কুমার সাহা। তিন আসামীকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২৭ আগষ্ট তিনি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরে মামলায় দ্বিতীয় আসামী সোহেল আলম মারা গেলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
আদালত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামী খোরশেদ আলমের সাজা এবং অপর আসামী জসিমকে খালাস দিয়েছেন।জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।













