খেলোয়াড়, কিন্তু হাঁটুর চোটের জন্য খেলতে পারছি না : এবাদত

হাঁটুর চোটে দীর্ঘদিন ক্রিকেটের বাইরে এবাদত হোসেন। সেখানে গত ৩০ আগস্ট লন্ডনে অস্ত্রোপচার করা হয়। এই চোট কাটিয়ে ফিরতে অন্তত সাত থেকে আট মাস সময় লাগবে এই ডানহাতি পেসারের। এখন ফেরার লড়াইয়ে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া চালাচ্ছেন তিনি।
দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকায় আজ গণমাধ্যমের মুখোমুখি এবাদত জানিয়েছেন, সতীর্থরা মাঠে বোলিং করছেন, খেলছেন অথচ তিনি যে পারছেন না, এ জন্য খানিক কষ্ট পাচ্ছেন তিনি।
এবাদত বলেন, ‘খেলোয়াড়, কিন্তু খেলতে পারছি না। ওরা বোলিং করছে, ম্যাচ খেলছে। কষ্ট লাগবেই।
স্বাভাবিক। দেখতে একটি মনে হয় একটু বল ধরি, একটু বোলিং করি। এ জন্য সেদিন দাঁড়িয়ে একটু বোলিং করা।’ গত বৃহস্পতিবার মিরপুরের মূল মাঠে সতীর্থ খালেদ আহমেদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে বোলিংয়ের মতো ভঙ্গিও করতে দেখা গেছে তাকে।
সে নিয়ে এবাদত বলেন, ‘ওইখানে দাঁড়িয়ে একটু মনের ইয়েটা (স্বাদ) মেটালাম।’
সেদিন বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ থেকে এবাদতের দুই পায়ের মাপ নেওয়া হয়েছে, এটা জানার জন্য যে তার সেরে ওঠার প্রক্রিয়া ঠিকঠাক এগোচ্ছে কি না। এবাদত বলছিলেন, ‘তাড়াহুড়ো আমিও করছি না। আমি যে প্রসেস ফলো করছি, যেই প্রসেসে খুব ভালোভাবে এগোচ্ছি। সবচেয়ে বড় জিনিস হচ্ছে, যেভাবে মেডিক্যাল বিভাগ সাপোর্ট দিচ্ছে…।
রিহ্যাবটা খুব ভালো করছি। স্ট্রেন্থ ফিরে পাচ্ছি। বালুর মধ্যে কাজ করছি, স্ট্রেন্থ করছি। আশা করছি, সামনে ভালো কিছুই হবে।’
নিজের উন্নতি নিয়ে এবাদত নিজেও সন্তুষ্ট, ‘আলহামদুলিল্লাহ, খুব ভালোই রিকভার হয়েছে। এ জন্যই মনে হচ্ছে, কষ্ট যেটা করছি সেটার ফলটা খুব ভালো পাচ্ছি।’ কিছুদিনের মধ্যে দৌড় শুরু করবেন বলেও জানালেন তিনি, ‘বোলিংটা এখনো শুরু হয়নি। স্ট্রেন্থটা গেইন করার পর আমি আস্তে আস্তে রানিং শুরু করব। এরপর আস্তে আস্তে বোলিং। স্ট্রেন্থটা গেইন হোক। এরপর রানিং।’















