শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের প্রতি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই: প্রক্টর

আপডেট: October 19, 2025 |
inbound9165144842794622200
print news

ডিআইইউ প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীরা যাতে স্বল্প খরচে ভালো ও মানসম্মত খাবার উপভোগ করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) প্রশাসনের উদ্যোগে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে প্রক্টর টিমের তদারকি কার্যক্রম।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ক্যানটিনে খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শন করেন প্রক্টর প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত প্রক্টরিয়াল টিম।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন উভয় ক্যাম্পাসের ক্যানটিনের রান্নাঘরসমূহ পরিদর্শন করা হয়।

রান্নাঘরের পরিবেশ, উপকরণ ব্যবস্থাপনা ও খাবার সংরক্ষণের মান যাচাই করেন প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা।

প্রক্টর প্রফেসর ড.সাজ্জাদ হোসেন বলেন,শিক্ষার্থীদের খাবারের মান ও পরিবেশ যেন সর্বদা ভালো থাকে, তা নিশ্চিত করতেই প্রতিনিয়ত এই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আমরা চাই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কোনো ব্যাঘাত না ঘটে এবং তারা নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার উপভোগ করতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্যানটিনে সুশৃঙ্খল ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন,ক্যানটিনগুলোর জন্য ইতোমধ্যেই কিছু দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, যাতে কোনো অবস্থাতেই বাসি খাবার পরিবেশন না করা হয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য অবশ্যই ফ্রেশ খাবার সরবরাহ করতে হবে। আজকের অভিযানে আমরা দুটি নোট নিয়েছি, যেগুলো নিয়ে দ্রুত মিটিং করা হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ক্যানটিনগুলোর খাবারের মান আরও উন্নত করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুজাহিদ আল রিফাত বলেন,আমরা অনেক দিন ধরে ক্যাম্পাসে খাবারের মান নিয়ে সমস্যায় আছি।

ক্যানটিন কর্তৃপক্ষকে বললেও তেমন পরিবর্তন হয় না। তারা লাভের দিকে বেশি নজর দেয়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের দিকে নয়।

তাই প্রক্টরিয়াল টিমের এই অভিযানকে আমরা স্বাগত জানাই। আশা করি, এবার সত্যিকার অর্থে খাবারের মানের উন্নতি হবে।

অভিযানে প্রক্টর প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান মামুন, সহযোগী অধ্যাপক মো. তাজিব উল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ড. শামীম হামিদি, সহকারী অধ্যাপক মো. সানিউল হক মাহী এবং প্রভাষক, শাহরিয়ার মাহমুদ মিনার।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা এবং খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Share Now