চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে জনজীবন

আপডেট: January 16, 2026 |
inbound6790536210620217831
print news

শৈত্যপ্রবাহের কবলে চুয়াডাঙ্গা। সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে শীতে কাঁপছে এ জেলার জনপদ। কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। হিম বাতাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন শিশু, বৃদ্ধ আর ছিন্নমূল মানুষ। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৭ শতাংশ। গত দুদিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

শহরের একাধিক ভ্যান ও রিকশাচালকেরা বলেন, বাতাসের কারণে রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যাত্রী খুবই কম। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে লোকজনের দেখা মিলছে না। কয়েকদিন ধরে সূর্যও উঠছে না।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, চলমান শৈত্যপ্রবাহ এখনও এক সপ্তাহ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি এর মধ্যে থাকার সম্ভাবনা।

এদিকে, আগামী কয়েকদিনে সারাদেশে শীত বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত কয়েকদিনে কনকনে ঠাণ্ডার অনুভূতি কিছুটা কমে এলেও আবার হানা দিতে যাচ্ছে হাড় কাঁপানো শীত।

এই মুহূর্তে দেশের চার জেলার উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও আগামী কয়েকদিনে এর বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

সেই সঙ্গে দিনাজপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গা জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত ও বিস্তার লাভ করতে পারে।

এছাড়া শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে এবং সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর