প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে আঞ্চলিকভাবে নববর্ষ উদ্‌যাপনের কথা ভাবছে সরকার

আপডেট: April 21, 2026 |
inbound1734011593006307101
print news

সরকার আগামী বছর প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে আঞ্চলিকভাবে নববর্ষ উদযাপনের কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, এবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করেছে। পহেলা বৈশাখ ঘিরে অনেকে নানা ধরনের আশঙ্কা দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে সবাই স্বীকার করেছেন যে, এবারের মত স্বতঃস্ফূর্ত ও বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব খুব কমই হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে আরও পরিকল্পিতভাবে এসব আয়োজন করার নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়ে তার উপদেষ্টা বলেন, এবার সরকার দায়িত্বে আসার পর খুব বেশি সময় পাওয়া যায়নি। বৈশাখকে কেন্দ্র করে শুধু তিন-চার দিন নয়, পুরো মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ও উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আমরা অনেকেই হয়ত জানি, ১৪ এপ্রিল শুধু আমাদের নববর্ষ নয়; পার্শ্ববর্তী ও নিকটবর্তী আরও কয়েকটি দেশেও একই সময়ে নববর্ষ পালিত হয়—মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং ভারতের কিছু অংশে। আমরা আঞ্চলিকভাবে এই উৎসব উদযাপন করা যায় কি না, তা আগামী বছর খতিয়ে দেখব। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। এটি এক ধরনের সাংস্কৃতিক কূটনীতি গড়ে তুলতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিরা আমাদের দেশে আসবেন, আমাদের প্রতিনিধিরা ওই দেশগুলোতে যাবেন—এ ধরনের একটি আঞ্চলিক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ইরানি বা পারসিক নববর্ষ ‘নওরোজ’ বহু দেশে উদযাপিত হয় এবং তারা সম্মিলিতভাবে তা পালনের চেষ্টা করে। আমরাও তেমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব। প্রধানমন্ত্রী এই উৎসবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, কারণ এটি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে একত্রিত করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবোধকে শক্তিশালী করতে পারে।

জাহেদ উর রহমান সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৫ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ২৬ লাখ ৫০ হাজার ৩৯ জন শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

সরকারের খাল খনন কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, এই কর্মসূচিতে মোট ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। তার মধ্যে এ পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ৫৬১ কিলোমিটার; অগ্রগতির হার ৪৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর