শুক্রবার কলকাতায় বিক্ষোভের ডাক ককরোচ জনতা পার্টির

আপডেট: July 23, 2026 |
1784537763 09592f0498c0fcc3748666e9e664a118 3
print news

ভারতের দিল্লির যন্তর-মন্তরে চলমান আন্দোলনের আবহ এবার ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে কলকাতায়। চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টি কলকাতায় মিছিলের আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ জন্য কলকাতা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি চেয়ে আবেদনও করা হয়েছে। যদিও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায, গত ১৯ ও ২১ জুলাই কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার সদর এবং যুগ্ম কমিশনার অপরাধ দমন বরাবর ইলেকট্রনিক ডাকযোগে আবেদন পাঠানো হয়। আবেদনকারী হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছেন দলের সদস্য দেদীপ্য গঙ্গোপাধ্যায়।

আবেদনে বলা হয়, শুক্রবার বিকেল ৪টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে রানি রাসমণি সড়ক পর্যন্ত মিছিল করতে চায় ককরোচ জনতা পার্টি। সেখানে প্রায় দেড় হাজার মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের কর্মকর্তারা আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এখনো অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

যদিও পুলিশ সূত্রের দাবি, অনুমতি মিলুক বা না মিলুক, সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে।

দলের সদস্য দেদীপ্য গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এখনো পুলিশের কাছ থেকে কোনো অনুমতি পাওয়া যায়নি। অনুমতি না পেলে কী করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

তবে তিনি জানান, কলকাতার ছাত্র ও যুবসমাজকে এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা দুর্নীতিসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে যাদের নাম জড়িয়েছে, তাদের এই কর্মসূচি থেকে দূরে থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

দিল্লিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন শহরে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। মুম্বাই ও চেন্নাইয়েও আন্দোলনের সমর্থনে শিক্ষার্থী ও তরুণদের সমাবেশ হয়েছে। তবে মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, ওই সব জমায়েতের জন্য আগাম কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। চেন্নাইয়ের বিভিন্ন এলাকায়ও কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজধানী দিল্লিতে গত কয়েক দিনে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সংসদ অভিমুখে কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে।

বিরোধী দলগুলোর দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসনের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর