মেসির ‘অসম্মান করবেন না’ মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন রেফারি

আপডেট: July 29, 2026 |
fd 178
print news

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচে নেওয়া এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা এখনো থামেনি। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে হওয়া কথোপকথন নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন ম্যাচ রেফারি জোয়াও পিনেইরো।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিনেইরো জানান, ম্যাচের শুরুতে রেফারিং দল আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়েন্দ্রো পারেদেসের চ্যালেঞ্জকে হলুদ কার্ডযোগ্য ফাউল হিসেবে দেখেছিল। তবে ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পর দেখা যায়, কোনো ফাউল হয়নি। বরং সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউলের অভিনয় (ডাইভ) করেছিলেন। সে কারণে তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়। পিনেইরোর দাবি, এটি প্রথম হলুদ কার্ডের ঘটনাও হলেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।
তবে একই ঘটনায় পরে ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) জানায়, এম্বোলোর লাল কার্ড দেখানোর প্রক্রিয়ায় নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। আইএফএবির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ ধারা কেবল অপরাধ করা খেলোয়াড়কে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যাবে; অপরাধের ধরন পরিবর্তন বা নতুনভাবে মূল্যায়নের জন্য নয়।
ম্যাচের ৭২তম মিনিটে সুইজারল্যান্ড সমতায় ফেরার পরপরই এম্বোলোর লাল কার্ড ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনা ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়।
ম্যাচ চলাকালে মেসি ও পিনেইরোর কথোপকথনও আলোচনায় আসে। সে সময় মেসিকে রেফারিকে উদ্দেশ করে বলতে শোনা যায়, “ভালোভাবে কথা বলুন, অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে সম্মান রেখে কথা বলুন। আমিও আপনার সঙ্গে সম্মান রেখেই কথা বলেছি।

এ বিষয়ে পিনেইরো বলেন, মেসি আমার সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন, যেমনটা অন্য অধিনায়ক ও খেলোয়াড়রাও করে থাকেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী অধিনায়কদের সঙ্গে রেফারিদের সংলাপের সুযোগ রয়েছে। মেসির নাম জড়িয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি বেশি আলোচিত হয়েছে। কিন্তু এমন আলোচনা অনেক ফুটবলারের সঙ্গেই হয়। মেসি বা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো থাকলে মানুষ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখে।
আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণায় টাকা ঢালছে ব্রাজিল: মিলেই
তিনি আরও বলেন, এগুলো ছিল গঠনমূলক আলোচনা। সব সময় হলুদ কার্ড দেখানোই সমাধান নয়। হয়তো সে আমার কোনো সিদ্ধান্ত ভুল বুঝেছিল। আমরা কথা বলেছি, একে অপরকে বুঝেছি এবং এরপর খেলা এগিয়ে নিয়েছি। বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর