খিলগাঁওয়ে ঠিকাদারের ওপর হামলার অভিযোগ, অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর দাবি

আপডেট: August 2, 2026 |
print news

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পশ্চিম নন্দীপাড়ায় ইট-বালু ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার খোরশেদ আলম সোহেলের (৪৫) ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় হামলার পাশাপাশি তাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগও করা হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই সোহেলের স্ত্রী তারিন আক্তার বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন—রতন (৫০), খোকন (৪২), মাসুম (৩৮), কাউসার (৩৫), হাবিব (৩০) ও রাফি (২৫)।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভবন নির্মাণকাজে ইট, বালু ও পাথর সরবরাহের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে সোহেলের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে একটি ‘বিচারের’ কথা বলে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে এক ব্যক্তি সোহেলকে পশ্চিম নন্দীপাড়ার আল-মদিনা মসজিদের পাশের পানির পাম্প এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ক্রিকেট স্টাম্প, ইট ও লোহার রড দিয়ে তার ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যবসার ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীদের একজন আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে তাদের ভয়ভীতি দেখায়। পরে সোহেল অচেতন হয়ে পড়লে তাকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তার পাশে একটি পিস্তল রেখে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে স্থানীয়রা সোহেলকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় বর্তমানে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, হামলার পেছনের উদ্দেশ্য এবং উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর