সামাজিকভাবে গুজব প্রতিরোধ করা সম্ভব: বিটিআরসি চেয়ারম্যান

আপডেট: August 11, 2026 |
fd 102
print news

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে। মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে আমরা সবাই বলি। তবে স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়। এর একটি সীমা থাকতে হয়। তাই গুজব প্রতিরোধে প্রযুক্তির ব্যবহারের চেয়ে সামাজিকভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। কারণ সমাজে যা আছে সেটিই তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলে আসছে।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ‘রংপুর শহরে মোবাইল টাওয়ারের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড- ইএমএফ রেডিয়েশন পরিবীক্ষণ জনসচেতনতা ও সেবার মান উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এখন এআই দিয়ে অনেক ভিডিও হচ্ছে। আমরা ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে নানা এআই ভিডিও দেখেছি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরও ভুয়া ভিডিও আমাদের মোকাবিলা করতে হয়েছে। নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি শঙ্কা ছিল ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে কোনো অস্থিরতা তৈরী করা হয় কি না। কারণ নির্বাচনকালীন ওই সব ভিডিও সাধারণ মানুষের মাঝে বড় প্রভাব ফেলে। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটেছে উল্টোটা। আমরা ভয় পেয়েছিলাম মিথ্যা ভিডিওকে মানুষ বিশ্বাস করে, পরে দেখলাম সত্য ভিডিওকেও মানুষ বিশ্বাস করছে না। কারণ মানুষ সোস্যাল মিডিয়া থেকে অনেক কিছু শিখেছে। তাই বাস্তবতা হচ্ছে সমাজের গুজব প্রযুক্তির মাধ্যমে বন্ধ করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, হয়তো আমরা কখনোই তা বন্ধ করতে পারবো না। গুজব প্রতিরোধে সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে।

রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, বিটিআরসির মহাপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম, জেলা সুজনের সভাপতি অধ্যক্ষ খন্দকার ফখরুল আনাম বেঞ্জু, সিনিয়র সাংবাদিক মেরিনা লাভলী, রংপুর চেম্বারের পরিচালক পার্থ বোস, জাতীয় ছাত্রশক্তি রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি প্রমুখ।

এ সময় রংপুরে নেটওয়ার্কিং সমস্যা, রেডিয়েশনের ফলে প্রাণ-প্রকৃতির ক্ষতি, ইন্টারনেট সেবার মানোন্নয়নে নানা সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর