উস্কানি দিয়েই সংঘর্ষে জড়িয়েছে বাম ছাত্র জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণমাধ্যমের শিরোনাম হতে উস্কানি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো সরকার সমর্থক ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িছে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
তারা বলছেন, মূলত সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হতেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়েছে বাম সংগঠন গুলো।
মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসংলগ্ন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে সংঘর্ষে ফটো সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সোহেল পারভেজ নামের এক পথচারী বলেন, “বাম ছাত্রসংগঠনগুলো আজ তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপর উস্কানিমূলক হামলা চালিয়েছে। ।
“তাদের হামলার পেছনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রলীগ যাতে তাদের উপর আক্রমণ করে এবং এতে করে তারা বিভিন্ন সংগঠনের কাছে সহমর্মিতা এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের নিউজ কভারেজ পায়।”

ছাত্রলীগ কোন হামলায় সঙ্গে জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে চলা অব্যাহত মিথ্যাচারের আরেকটি নমুনা আজকের এই হামলার অভিযোগ। ছাত্রলীগের সঙ্গে হামলার ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা নেই। প্রগতিশীলতার নামে কিছু বহিরাগতরা অভ্যন্তরীণ কোন্দলে মারামারিতে লিপ্ত হয়েছিল। তারা ইট আর ডাব চালাচালি করেছে। ছাত্রলীগের অনেক কর্মী, যারা আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচী পালন করতে এসেছিলো, তাদের উপর ইট পাটকেল ছুড়েছে, তাতে কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী এবং টিএসসিতে বেড়াতে আসা সাধারণ জনগণ আহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রগতিশীলতার নামে যারা ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, জামাতের পেইড এজেন্ট সেইসব মাদকাসক্ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে বাম ছাত্র জোটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, সংঘর্ষ শুরুতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার উপর হামলা করে বাম সংগঠন গুলোর নেতারা। এতে ছাত্রলীগের দুইজন কর্মী আহত হলে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা দেয়া হয়।”
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনের প্রতিবাদে সকাল ১১টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে ছাত্র ফেডারেশন মোদীর কুশপুতুল পোড়ানোর কর্মসূচি দিয়েছিল।