আইএসের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু

আইএসআইএল (আইএস) গোষ্ঠী তাদের নেতা আবু হুসেইন আল-হুসেইনি আল-কুরেশি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গোষ্ঠীটি তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আবু হাফস আল-হাশিমি আল-কুরেশির নাম ঘোষণা করেছে।
আইএসের একজন মুখপাত্র বৃহস্পতিবার টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে তার চ্যানেলে রেকর্ড করা এক বার্তায় জানান, সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিমের ইদলিব প্রদেশে হায়াত তাহরির আল-শাম গ্রুপের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে তাদের নেতা নিহত হয়েছেন।
সেই মুখপাত্র আরও জানান, পরে হায়াত তাহরীর আল-শাম গ্রুপটি আইএস নেতার লাশ তুরস্কের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে কবে এই ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছে তা জানাননি সেই মুখপাত্র।
গত এপ্রিলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছিলেন যে তুর্কি গোয়েন্দা বাহিনী (এমআইটি-ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স অর্গানাইজেশন) সিরিয়ায় আইএসআইএলের নেতাকে নিষ্ক্রিয় (হত্যা) করেছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদুলুও সে সময় জানিয়েছিল, এমআইটি ৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আইএস নেতা যখন বুঝতে পারেন যে তিনি বন্দি হতে যাচ্ছেন- তখন আত্মঘাতি বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। এতে কোনো তুর্কি অপারেটিভ আহত বা নিহত হননি। আইএসের পঞ্চম নেতা ছিলেন আবু হাফস আল হাশিমি।
২০২২ এর নভেম্বরে আইএসআইএল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, তাদের আগের নেতা আবু হাসান আল-হাশিমি আল-কুরেশিকে হত্যা করা হয়েছে। একই বছর ফেব্রুয়ারিতে তারও পূর্বসূরি আবু ইব্রাহিম আল-কুরেশি ইদলিব প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে নিহত হন।
গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ও স্বঘোষিত খলিফা আবু বকর আল-বাগদাদিও ২০১৯ সালের অক্টোবরে ইদলিবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে নিহত হন।
সূত্র: আল জাজিরা













