শাহজাদপুরে রংধনু ও সপ্তবর্ণ কিন্ডার গার্ডেন স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টার বাণিজ্য তুঙ্গে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রংধনু কিন্ডার গার্টেন স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টা ও সপ্তবর্ণ কিন্ডার গার্টেন স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টার বাণিজ্যে তুঙ্গে।
শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড গুরত্বপুর্ণ এই প্রবাদটিকে কাজে লাগিয়ে শাহজাদপুরে গরে উঠা রংধনু কিন্ডার গার্টেন স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টার ও সপ্তবর্ণ কিন্ডার গার্টেন স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টার বানিজ্যে এখন তুঙ্গে।
রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে এ দুই কোচিং সেন্টার বানিজ্যের মালিক গন। অনেকটা আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মতোই ঘটনা।
একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে এই দুই কোচিং সেন্টার বানিজ্যে। বিভাগীয় শহর বা জেলা নয় একটি উপজেলাতে এই দুই কোচিং সেন্টারের মালিকরা পাল্টা -পাল্টি করে হেলিকপ্টার ভ্রমন করিয়েছেন শিক্ষার্থীদেরকে। এর পরেও প্রশাসনের চোখ খোলেনি এদের এতো টাকার উৎস কোথায়।
শিক্ষার্থীদের অভিবাকদের বলির পাঠা বানিয়ে এই দুই কোচিং সেন্টারের মালিকরা লুফে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। উপজেলা এলাকায় এই দুই কোচিং সেন্টারে সন্তানদের লেখা পড়া করাতে অভিবাবকদের মোটা অংকের অর্থ খরচ করতে হচ্ছে ।
যা প্রয়োজনের চাইতেও অনেক বেশী। প্রশাসনের দৃষ্টি এই কোচিং সেন্টার গুলোর উপর না পরায় এদের কোচিং সেন্টার বানিজ্যে তুঙ্গে পৌছে গেছে।
উপজেলা এলাকায় ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ৭০০ টাকা হওয়া এটা কতটুকো বৈধ এটই সাধারন মানুষের অজানা।
শুধু ৭০০ টাকাই নয় এই কোচিং সেন্টারে পড়া লেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আরও একটি কোচিং রয়েছে সেখানে মাথাপিছু শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন ১ হাজার টাকা।
এ ছাড়া মাসিক পরিক্ষা, প্রথম সাময়ীক, দ্বিতীয় সাময়ীক, ফাইনাল পরিক্ষার জন্য পরিক্ষা ফি ও সেশন ফি নেওয়া হয় কোচিং সেন্টার পরিচালনা কমিটির ইচ্ছে মতো।
প্রত্বেক পিতা-মাতাই চান তাদের সন্তানেরা সু শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পিতার মুখ উজ্জল করুক আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের পিতা- মাতাদেরকে বলির পাঠা বানিয়ে এই কোচিং সেন্টারের মালিকরা লুফে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
শাহজাদপুরের মতো ছোট একটি উপজেলাতে ব্যাঙের ছাতার মতে গরে উঠেছে কিন্ডার গার্টেন এন্ড কোচিং সেন্টার।
এ যেন মগের মুল্লুক দেখার কেউ নেই। এই সকল কোচিং সেন্টারের নামে বানিজ্যে বন্ধের দাবী জানিয়ে সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার সূধী মহল ।
এ ব্যাপারে সপ্তবর্ন কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোঃ মঈন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবে বলে জানান।
এ ব্যাপারে রংধনু কিন্ডার গার্টেন স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টারের মালিক ও প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহীন বলেন, ৭শ টাকা বেতন নেই এটা পত্রিকায় লিখেননা প্লীজ অন্যান্য স্কুলে ২০০০-২২০০ টাকা বেতন নেয়, আমি অতি সামান্য টাকা বেতন নেই। ৭০০ টাকা বেতন হওয়ায় তার স্কুলের লজ্জাজনক ঘটনা বলে তিনি আত্ম প্রকাশ করেন।
এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।


