চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আকতারুজ্জামান নাইম, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
নিহত ব্যক্তির নাম রফিকুল ইসলাম (৪৫) তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের জিনারপুর গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক সাব্বিরসহ অন্যান্য শিক্ষকদের মারপিটে ওই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামীয়া কাওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।
এ মৃত্যুকে নিয়ে চলছে নানা ধোঁয়াশা, স্থানীয়রা জানান আমরা সকালে উঠে শুনছি এই অবস্থা। আমরা কেউ কিছু জানিনা। তবে শিক্ষকেরা বলছে স্থানীয়রা মেরে ফেলেছেন।
স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন আছে, ওই মাদ্রাসার শিক্ষকেরাই গভীর রাতে ওই ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে দফায় দফায় পিটিয়ে হত্যা করেছেন।
হত্যা নিশ্চিত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান প্রধান বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে পরে পুলিশকে খবর দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কৌশলগতভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জোর চেষ্টা চলছে বলে অনেকে ধারণা।
জানাগেছে, চোর সন্দেহ ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম পানি খাওয়ার জন্য মাদ্রাসায় প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু তাকে চোর সন্দেহে আমগাছের সাথে বেঁধে উপর্যুপরি মারপিট ও আঘাত করা হয়।
উপর্যপুরি মারপিটের ঘটনায় সে মারা যায়। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওই মাদ্রাসার পরিচালক মাসুদ রানা বিভিন্ন মহলে জোর তদবির করেন। পরে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ লাশ ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ,বিষয়ে প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামীয়া কাওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক মাওলানা মাসুদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চোর সন্দেহ ব্যক্তিকে মারপিটের পর ভোররাতে তিনি মারা যান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে, এম মাসুদ রানা বলেন,এটি একটি কমপ্লিট মার্ডার, এখনো অভিযোগ পায়নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

















