আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট: August 10, 2026 |
fd 83
print news

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যতটুকু পড়বে এবং পরীক্ষায় যতটুকু সঠিক উত্তর দেবে, তাদের সে অনুযায়ীই নম্বর দেওয়া উচিত। কেউ না পড়লে তাকে বাড়তি নম্বর দিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।

সোমবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষকদের নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতা এবং এ কারণে ফলাফলে প্রভাব পড়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না।’

এ সময় একজন সাংবাদিক এবারের ফলাফলকে খারাপ বললে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।’

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে গড় পাসের হার কমে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী তখনই সন্তুষ্ট হন, যখন একজন শিক্ষার্থী যে পরিমাণ পড়াশোনা করে এবং পরীক্ষায় তার জ্ঞান অনুযায়ী উত্তর দেয়, সে অনুযায়ী নম্বর পায়। কেউ না পড়লে তাকে নম্বর বাড়িয়ে দিলে তিনি সন্তুষ্ট হন না।

এর আগে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষকদের নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি বলেন, ‘আমি তখন ছিলাম না। আপনিই বললেন বলে দেওয়া হয়েছিল শিক্ষকদেরকে। জাতি জানল আপনার কাছ থেকে যে শিক্ষকদের নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আমি জানতাম না।’

এদিকে এবারের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট কি না, এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা অনুযায়ী নম্বর দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।

বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো বোর্ডের জন্য পৃথক প্রশ্ন করা হয়নি। একই মানদণ্ডে সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।

Share Now

এই বিভাগের আরও খবর